Latest: অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কার্যকর ও সহজলভ্যকরণ

Latest: অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কার্যকর ও সহজলভ্যকরণ

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্ব যখন নিস্তব্ধ তখন বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের শিক্ষা কার্যক্রম ও পুরোদমে ব্যাহত। করোনার সংক্রমণের হাত থেকে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের রক্ষা করতে ১৭ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যা আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকার সরকারিভাবে সাধারণ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমকে সচল ও শিক্ষার্থীদের বইমুখী করার জন্য দেশের বিদ্যাপীঠগুলো অনলাইনভিত্তিক ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। কিন্তু এই অনলাইনভিত্তিক ক্লাস করার সক্ষমতা সবার হয়নি। বিশেষ করে শহরের স্টুডেন্টরা বেশিরভাগ সুবিধার আওতায় এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের অর্থাৎ গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যেহেতু তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ডিভাইস নেই কিংবা চওড়া দামে ডাটা কেনা ও গ্রামের ইলেকট্রিক সমস্যার কারণে অনলাইন ক্লাস থেকে ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছে।
সরকারি তথ্য মতে, বর্তমানে আমাদের দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৫ হাজার। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৭ হাজার প্রায় এবং কলেজ বা মহাবিদ্যালয় রয়েছে প্রায় ২৫ হাজারের মতো। এর মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি ছাড়া বাকিগুলোতে অনলাইনভিত্তিক ক্লাস করার জন্য এখনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বাংলাদেশের শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী, দেশের স্বায়ত্তশাসিত চারটি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মোট ছাত্রছাত্রী প্রায় ৬০ লাখ। তারই মধ্যে এখনো শতভাগ অনলাইন বা ঠরৎঃঁধষ খবধৎহরহম এ যুক্ত হতে পারেনি। যদি সরকার শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ডাটা প্রদান এবং সেই সঙ্গে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল ডিভাইস কেনাসহ যাবতীয় ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদান করে তাহলে অবশ্যই অনলাইনভিত্তিক ক্লাস অধিক কার্যকর এবং সহজলভ্য হবে বলে আমি মনে করি।

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ।
[email protected]

ডিসি

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here