Latest: বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ | Purboposhchimbd

Latest: বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ | Purboposhchimbd

প্রকাশ:  ১৩ নভেম্বর ২০২০, ০০:৪৭

রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় সারাদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সম্পর্কিত খবর

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আজ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিং শেষে দলের অফিস থেকে বের হবার সাথে সাথে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুককে গ্রেপ্তার করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। সারাদিন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৫ জন নেতাকর্মীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আমি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়কে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ-১ আসনে উপ-নির্বাচনের দিনে ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে আকস্মিকভাবে কয়েকটি গণপরিবহনে অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও রহস্যজনক এবং একইসাথে উদ্দেশ্যমূলক। এই ঘটনার সাথে বিএনপিকে জড়িত করে বিভিন্ন বক্তব্য দেয়া হচ্ছে, যার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। বিএনপি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে কোনভাবেই জড়িত নয়।

প্রিন্স বলেন, ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ-১ আসনে উপ-নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের ভোট ডাকাতি, সন্ত্রাস, কারচুপি গোপন করতেই পরিকল্পিতভাবে এসব সন্ত্রাসমূলক ঘটনা ঘটিয়ে জনদৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চায় সরকার। অতীতেও এধরণের ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। একই কায়দায় আজ এই ঘটনা ঘটিয়ে এর দায়-দায়িত্ব বিএনপির ওপর অন্যায়ভাবে চাপিয়ে অতীতের মতোই বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা দিয়ে হয়রানি করতে চায়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট কারচুপির প্রতিবাদে বিএনপির নেতাকর্মীদের স্বত:স্ফুর্ত মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে নয়াপল্টনে। বলা হচ্ছে-এই মিছিল থেকে বাসে আগুন দেয়া হয়েছে, যা সর্বৈব মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। মিছিল বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শেষ হবার মূহুর্তে কে বা কারা বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আনুমানিক ৪০০ ফিট দুরে আনন্দ ভবনের সামনে বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। অথচ বলা হচ্ছে-মিছিল থেকে বিএনপি’র কর্মীরা আগুন দিয়েছে। তাহলে ঢাকা শহরের অন্যান্য স্থানে বাসে আগুন লাগানোর ঘটনা কারা ঘটিয়েছে ? প্রকৃত অর্থে ক্ষমতাসীনদের এজেন্টরাই এই ঘটনা ঘটিয়ে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর অপকৌশল নিয়ে সরকার এসব করেছে। যারা ভোট ডাকাতি করেছে, তারাই ষড়যন্ত্র করে এসব কান্ড করছে, অতীতেও তারা একই কাজ করেছে। নির্বাচন হলো উত্তরায়, আর গাাড় জ্বললো দক্ষিণে, এতে বিএনপিকে জড়িত করা হাস্যকর।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সাবেক ছাত্রনেতা শহীদুল্লাহ ইমরান, জাসাসের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-দফতর সম্পাদক নাজমুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here