Latest: Killed in Lightning: বজ্রপাতে বিহারে মৃত্যু ১৮ জনের, উত্তরপ্রদেশে আরও ১৩ – 18 people killed in lightning strikes in bihar, 13 killed in up

Latest: Killed in Lightning: বজ্রপাতে বিহারে মৃত্যু ১৮ জনের, উত্তরপ্রদেশে আরও ১৩ – 18 people killed in lightning strikes in bihar, 13 killed in up

হাইলাইটস

  • বিহারে বজ্রপাতে ১৮ জনের মৃত্যু
  • উত্তরপ্রদেশে বাজ পড়ে মৃত আরও ১৩ জন
  • চলতি বছর বিহারে সবমিলিয়ে ৩৩০ জন মারা গিয়েছে বজ্রপাতে
  • সরকারি রিপোর্ট বলছে, ২৪ জুন গোটা বিহারে ১০০ জন বজ্রপাতের বলি

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত যে হতে পারে, তা নিয়ে আগাম সতর্ক করেছিল আবহাওয়া দফতর। বাড়ির বাইরে বেরোলেও দুর্যোগের সময় লোকজনকে খোলা জায়গায় দাঁড়াতে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু, আগাম সতর্কতা সত্ত্বেও বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকানো গেল না। মঙ্গলবার বিহারের ১০ জেলায় বাজ পড়ে কমপক্ষে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিহারের মধুবনী, কাটিহার ও গয়ায় বজ্রপাত ডিটেকশন কেন্দ্র তৈরি করেছে সরকার। সেখান থেকে লোকজনকে সতর্কও করা হচ্ছে। কিন্তু, বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার। চলতি বছর এ পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক মানুষ প্রকৃতির রোষানলের শিকার। দুর্যোগ এখনও না কাটায়, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

সরকারি সূত্রে খবর, বৈশালি জেলার রাঘবপুর ব্লকে বজ্রপাতে ৪ জন মারা গিয়েছেন। রোহতাস, ভোজপুর, গোপালগঞ্জ ও সারান জেলায় ২ জন করে মারা গিয়েছেন। পটনা, বেগুসরাই, আরারিয়া, সুপাউল, কাইমুর ও অন্য আর একটি জেলায় একজন করে বজ্রপাতে মারা গিয়েছেন।

বিহার সরকারের রিপোর্ট বলছে, ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ৩৩০ জনেরও বেশি মানুষ বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু ২৪ জুন সরকারি হিসেবে ১০০ জন মারা গিয়েছেন। সরকারি আধিকারিকরা রাজ্যবাসীকে সতর্ক করে জানিয়েছেন, দুর্যোগের সময় লেক, পুকুর, গাছাপালা থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। বিদ্যুত্‍‌তের ধাতব খুঁটি থেকেও দূরে থাকতে বলা হয়েছে। মেঝেতে শুতেও বারণ করা হয়। এমন বিরূপ আবহাওয়ার দিনগুলিতে খুব প্রয়োজন ছাড়া দুর্যোগ মাথায় নিয়ে লোকজনকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিহার ও UP-তে বাজ পড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৬

এদিকে, একই দিনে যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে বজ্রপাতে মৃত্যু হল কমপক্ষে ১৩ জনের। ত্রাণ কমিশনার সঞ্জয় গোয়েল জানিয়েছেন গাজিপুরে চার জন মারা গিয়েছেন। কৌশাম্বিতে তিন জন। খুশিনগর ও চিত্রকূটে দু’জন করে মারা গিয়েছেন। জৌনপুর ও চন্দৌলিতে একজন করে মারা গিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
মুম্বইয়ের কোয়ারান্টিন কেন্দ্রে তরুণীর শ্লীলতাহানি, ধৃত যুবক

এদিন প্রাণহানির খবরে দুঃখপ্রকাশ করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মৃতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের ৪ লক্ষ টাকা করে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। সেসময় যোগী আরও জানান, লক্ষিমপুর খেরি, সীতাপুর ও আজমগড়ের ২৮টি গ্রাম এবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here