Latest: coronavirus in maharashtra: শ্মশানে করোনা রোগীর লাশের পাহাড়, সৎকারের জন্য অপেক্ষা প্রায় ৩০ ঘণ্টা! – coronavirus pandemic: with spike in covid-19 death toll, some wait for 30 hours to

Latest: coronavirus in maharashtra: শ্মশানে করোনা রোগীর লাশের পাহাড়, সৎকারের জন্য অপেক্ষা প্রায় ৩০ ঘণ্টা! – coronavirus pandemic: with spike in covid-19 death toll, some wait for 30 hours to

হাইলাইটস

  • শ্মশানের চেহারা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত পরিজনেরা।
  • অনেক পরিবারই দেহ নিয়ে একাধিক শ্মশানে ঘুরছেন, কিন্তু লম্বা লাইন দিতে হচ্ছে দেহের শেষকৃত্যের জন্য।
  • গোটা রাজ্যজুড়ে অ্যাম্বুল্যান্সেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মহামারী-অতিমারী করোনাভাইরাসের ভয়াবহ ছবি বললেও কম বলা হবে। ২০২০ সালে গোটা বিশ্ব যে এমন এক ঘটনার সাক্ষী থাকবে তা কেউই হয়তো জানতেন না। একটি ভাইরাসের ছোঁয়াচে সংক্রমণে গোটা পৃথিবী তছনছ হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দেশে করোনা রোগীদের তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতিদিন। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের বিভিন্ন শ্মশানগুলিতে করোনা রোগীর লাশের পাড়ার জমে উঠছে। একেকটা দেহ সৎকারের জন্য পরিবারের লোকেদের প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শ্মশানের চেহারা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত পরিজনেরা।

রাজ্যে মৃতের সংখ্যা আচমকাই এতটা বেড়ে যাওয়ার ফলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শ্মশানগুলিতে। অনেক পরিবারই দেহ নিয়ে একাধিক শ্মশানে ঘুরছেন, কিন্তু লম্বা লাইন দিতে হচ্ছে দেহের শেষকৃত্যের জন্য। ইলেকট্রিক চুল্লিতে একটি দেহ দাহ হতে সময় নিচ্ছে প্রায় ২ ঘণ্টা। আর কাঠে পোড়ালে সময় লাগছে প্রায় ৩ ঘণ্টা। কিন্তু পরিস্থিতি এমনই জটিল যে, পরিবারগুলিকে আবেদন করা হচ্ছে গণ-সৎকারের অনুমতি দেওয়ার জন্য। অর্থাৎ, একইসঙ্গে চার-পাঁচটি দেহ পোড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে শ্মশানগুলিতে। এরইসঙ্গে গোটা রাজ্যজুড়ে অ্যাম্বুল্যান্সেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৪০৯ জন। তারই সঙ্গে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৫১৫ জনের। পুনের এমএনএস কর্পোরেশনের প্রাক্তন কর্মী বসন্ত মোরের শ্বশুর প্রয়াত হয়েছেন করোনায়। গত সপ্তাহে শ্মশানে গিয়ে প্রায় ৭ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে তাঁর পরিজনেদের। বসন্ত মোরের কথায়, ‘আমার ঘটনাটা একেবারেই ব্যতিক্রম নয়। পুনের প্রাক্তন মেয়র দত্ত একবোতের দেহ অ্যাম্বুল্যান্সেই প্রায় ১০ ঘণ্টা শোয়ানো ছিল। যেতেহু শ্মশানে দেহ রাখারও কোনও জায়গা ছিল না।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে আটকাতে নতুন নিয়ম মাহারাষ্ট্রে। সরকারি হাসপাতালে আনা কোনও মৃতদেহেরও এবার থেকে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে, যাতে সেই শরীরে করোনাভাইরাস রয়েছে কিনা তা সহজেই জানা যায়। এর ফলে দেহ কীভাবে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বা কী ভাবে সৎকার হবে সে বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হতে পারবেন মানুষ। টিবি বা টিউবারকিউলোসিস রয়েছে কিনা জানার জন্য যেমন পরীক্ষা হয়, তেমনই করোনা পরীক্ষাও হবে মৃতদেহের। সরকারের নয়া নির্দেশিকায় এমনই জানানো হয়েছে।

মুম্বই, পুনে এবং থানেতে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যথাক্রমে ৮১০৯, ৪৭৫৪ এবং ৪১৩৪ জনের। জেলার নাসিক, জলগাঁও এবং নাগপুরেও হাজারের বেশি প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে। শ্মশান গুলিতে কোনও জায়গা নেই দেহ সৎকারের। সাসুন জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৪০-৫০ জনের মৃত্যুর খবর মেলে। ১৫ জনকে আনাই হয় মৃত অবস্থায়। নাগপুরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রতিদিন ৩০-৩৫ জনের মৃত্যু হচ্ছে। সেখানেও ৫-১০ জনকে মৃত অবস্থাতেই আনা হয়।

আরও পড়ুন: মহামারীর ভয়াবহ ছবি, লাশের পাহাড় জমছে বেঙ্গালুরুর শ্মশানের দরজায়!

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here