Latest: ‘হাসপাতালের মর্গের মেঝেতে পড়ে সারি সারি দেহ, করোনা আতঙ্কে কাঁপছে এই রাজ্য

Latest: ‘হাসপাতালের মর্গের মেঝেতে পড়ে সারি সারি দেহ, করোনা আতঙ্কে কাঁপছে এই রাজ্য

সরকারি হাসপাতালের (Hospital) মর্গে আর জায়গা নেই। ফলে মর্গের মেঝেতে পড়ে রয়েছে সারি সারি প্লাস্টিকে মোড়ানো মৃতদেহ। ছত্তীসগড়ের (Chhattisgarh) ভীমরাও আম্বেদকর মেমোরিয়াল হাসপাতালের মর্গের ছবি দেখে শিউরে উঠেছে প্রায় গোটা দেশ।

যেখানে দেখা যাচ্ছে, ওই সরকারি হাসপাতালের মর্গে আর জায়গা নেই। ফলে একের পর এক প্লাস্টিকে মোড়ানো মৃতদেহ মেঝেতে পড়ে রয়েছে। সৎকারের ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না সেভাবে। যে ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তা ভাইরাল হয়ে যায় হু হু করে।

আরও পড়ুন : দিল্লিতে একদিনে রেকর্ড সংক্রমণ, বোর্ড পরীক্ষা বাতিলের আর্জি

হাসপাতাল কতৃপক্ষের কথায়, তাঁরা অনুপায়। যেভাবে প্রতিদিন করোনায় (Corona) মৃতের সংখ্যা বাড়ছে এবং সৎকারের অভাবে তা পড়ে থাকছে, তার জেরে আতঙ্কের প্রহর গুনছেন চিকিৎসক (Doctor) এবং চিকিৎসা কর্মীরা। জানা যাচ্ছে, ওই হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট এবং বাদবাকি শয্যা সব ভরে রয়েছে। সেখানে আর কোনও রোগী ভর্তির জায়গা নেই। ফলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই হাসপাতালে নতুন করে কোনও রোগী ভর্তি করা যাচ্ছে না।

হাসপাতাল কতৃপক্ষের কথায়, তাঁরা যদি ১০-২০ জনের মৃত্যুর পর মর্গে জায়গা করেন, তাহলে সেখানে মৃত্যু হচ্ছে ৫০-৬০ জনের। ফলে একদিনে কতগুলি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ব্যবস্থা তাঁরা করবেন বলে প্রশ্ন তোলা হয়।

রাইপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান, শ্মশানগুলিতে জায়গা মিলছে না। সেখানেও দাহ করার জন্য যেন সব সময় উপচে পড়ছে মৃতদেহ। প্রথমবার করোনা হানা দেওয়ার পর অনেক মানুষকে বাড়িতে রেখে, স্বাস্থ্যবিধি পালন করিয়ে, তাঁরা সুস্থ করেছিলেন। ফলে আয়ত্তে ছিল রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা। তবে করোনার নয়া স্ট্রেন যেভাবে থাবা বসাচ্ছে, তাতে প্রায় সবকিছু হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রাইপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মীরা বাঘেল।

শুধু তাই নয়, করোনায় আক্রান্ত হলে, উপসর্গবিহীন থাকছেন অনেকে। ফলে চিকিৎসা শুরুর আগেই অনেকের হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে মৃত্যু হচ্ছে বলেও জানান মীরা বাঘেল। রাইপুর শহরে প্রতিদিন কমপক্ষে ৫৫টি করে মৃতদেহ সৎকার করা হচ্ছে। যার মধ্যে বেশিরভাগই করোনায় মৃত বলেও খবর।



Source

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here