Latest: Ritesh Agarwal: জালিয়াতির অভিযোগে FIR দায়ের, বিপাকে Oyo-র প্রতিষ্ঠাতা রিতেশ আগরওয়াল – fir registered against oyo founder and ceo ritesh agarwal for alleged fraud and conspiracy

Latest: Ritesh Agarwal: জালিয়াতির অভিযোগে FIR দায়ের, বিপাকে Oyo-র প্রতিষ্ঠাতা রিতেশ আগরওয়াল – fir registered against oyo founder and ceo ritesh agarwal for alleged fraud and conspiracy

হাইলাইটস

  • প্রবল অস্বস্তিতে ওয়োর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও রিতেশ আগরওয়াল।
  • তাঁর বিরুদ্ধে চণ্ডিগড়ের একটি থানায় FIR দায়ের হয়েছে।
  • জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে রিতেশ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের গুরুতর অভিযোগ উঠল ওয়ো হোটেলস অ্যান্ড হোমস্ প্রাইভেট লিমিটেডের (OHHPL) প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও রিতেশ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় নাম আছে OHHPL-এর অপর একটি ব্র্য়ান্ড Weddingz.in-এর সিইও সন্দীপ লোধার।

যদিও সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন Oyo-র মুখপাত্র।

Oyo-র বিরুদ্ধে প্রতিরণা ও অপরাধমূলক ষড়যন্তের অভিযোগ করে গত সপ্তাহে পুলিশের দ্বারস্থ হন বিকাশ গুপ্তা নামে চণ্ডিগড়ের এক ব্যবসায়ী। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর সঙ্গে সম্পাদিক একটি চুক্তি অনৈতিকভাবে ভঙ্গ করেছে শীর্ষ OHHPL কর্তৃপক্ষ। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এবং অপরাধমূলক উদ্দেশ্য নিয়ে ওয়ো কর্তৃপক্ষ এই কাজ করেছে বলে পুলিশে দাবি করেন তিনি।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত সপ্তাহে ডেরা বস্সি থানার পুলিশ Oyo-র দুই শীর্ষ কর্তা রিতেশ আগরওয়াল এবং সন্দীপ লোধার বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ (প্রতারণা) এবং ১২০-বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী বিকাশ গুপ্তার সংস্থা বিকাশ মিনারেল ফুড লিমিটেড-এর (VMFL) ডেরা বস্সিতে Casa Villaz Resorts নামে একটি ম্যারেজ রিসর্ট আছে। VMFL সঙ্গে ২০১৯ সালে Oyo-র একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। করোনা মহামারীর আগে পর্যন্ত সব ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু সংক্রমণ রুখতে সরকার বিয়ে এবং সামিজিক অনুষ্ঠানে জমায়েতের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরে পরিস্থিতি বদল হতে থাকে।

আরও পড়ুন: অগস্টে দেশে কমল খুচরো মূল্যবৃদ্ধি, তবুও স্বস্তিতে নেই মোদী সরকার!

বিকাশ গুপ্তার অভিযোগ, লোকসানের আশঙ্কায় এর পরে তাঁর সংস্থার বিরুদ্ধে পূর্ব পরিকল্পিত চক্রান্ত শুরু করে Oyo কর্তৃপক্ষ। চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ২০২০ সালের ৩ মার্চ ফের NOC এবং অন্যান্য নথি চেয়ে নোটিশ পাঠায় তারা। অথচ ওই সমস্ত নথি কিছু দিন আগেই তিনি জমা দিয়েছিলেন। তার পরেও VMFL-র সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে দেয় OHHPL।

অভিযোগকারীর আরও দাবি, কোনও পক্ষ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে চুক্তিপত্রে ৩০ দিনের নোটিশ পিরিওডের কথা বলা আছে। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁকে মাত্র ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ক্ষতিপূরণ চেয়ে OHHPL-কে চিঠি পাঠালে পাল্টা প্রায় ৫ কোটি টাকা জরিমানা করে চিঠি পাঠায় ওয়ো। যার পরে বিষয়টি পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়।

যদিও সোমবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়োর মুখপাত্র। তাঁর প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ পর্যায়ের স্বচ্ছ্বতা মেনে এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে বলে দাবি করেন তিনি। উল্টে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে চুক্তি শেষের পরেও Oyo-র ব্র্যান্ড নেম অনৈতিকভাবে ব্যবহার করে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এই বিবাদকে দেওয়ানি এবং বাণিজ্যিক আখ্যা দিয়েছে Oyo কর্তৃপক্ষ।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here