Latest: quality certificate for toys: আগামী বছর থেকে খেলনাতেও গুণমান শংসাপত্র বাধ্যতামূলক – quality certificates are also mandatory for toys from next year with bis mark

Latest: quality certificate for toys: আগামী বছর থেকে খেলনাতেও গুণমান শংসাপত্র বাধ্যতামূলক – quality certificates are also mandatory for toys from next year with bis mark

এই সময়: আগামী ১ জানুয়ারি থেকে দেশি সংস্থাগুলিকে তাদের তৈরি খেলনায় ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিআইএস)-এর আইএসআই মানক বাধ্যতামূলক ভাবে ব্যবহার করতে হবে।

বিআইএস থেকে ওই শংসাপত্র নেওয়ার সময়সীমা বুধবার বাড়িয়ে ১ জানুয়ারি, ২০২১ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষের পর কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক চিনা পণ্যের আমদানি বন্ধ করে, যার মধ্যে খেলনাও রয়েছে। এরই পাশাপাশি, এ দেশে বিক্রি হওয়া খেলনার গুণমানে নিয়ন্ত্রণ পেতে কেন্দ্র টয়েজ (কোয়ালিটি কন্ট্রোল) অর্ডার জারি করে। প্রাথমিক ভাবে এ মাস থেকে ওই অর্ডার কার্যকর করার কথা ছিল। কিন্তু, এ দেশের খেলনা প্রস্তুতকারী এবং আমদানিকারীরা ওই বিধি মানার জন্য প্রস্তুত হতে সরকারের কাছে আরও কিছুটা অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সেই সময় বাড়িয়ে আগামী বছর ১ জানুয়ারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

এর অর্থ, আগামী ১ জানুয়ারির পর এ দেশে ১৪ বছরের কম বয়সীদের জন্য তৈরি যত খেলনা বিক্রি হবে তাতে আইএসআই-এর মতো বিআইএসের কোনও ‘কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স মার্ক’ থাকতে হবে। ওই শংসাপত্র না থাকলে, খেলনা বিক্রেতা বা প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে জেল এবং জরিমানার শাস্তি হবে।

বিআইএসের শংসাপত্র নেওয়ার জন্য সময়সীমা পিছোনোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে অল ইন্ডিয়া টয়েজ ফেডারেশন। তারা বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘দেশের বেশির ভাগ খেলনা প্রস্তুতকারকই ছোট বা মাঝারি সংস্থা। গুণমান পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরি তৈরি করার মতো যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান তাদের নেই। আমাদের অনুরোধ, আমরা বিআইএসের IS9873 কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিধি মেনে চলব। কিন্তু তার প্রক্রিয়া সহজ-সরল করা হোক। যেমন, নিজেরা ল্যাবরেটরি তৈরি করার পরিবর্তে বিআইএস-স্বীকৃত কোনও ল্যাবরেটরিতে গিয়ে খেলনা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়ার সুবিধা দেওয়া হোক সবাইকে।’

ইতিমধ্যেই বিশ্ব দরবারে ভারতকে ‘খেলনা হাব’ হিসাবে গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে টয় অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া-র সভাপতি অজয় আগরওয়াল জানিয়েছেন, সরকার এ ব্যাপারে উপযুক্ত জাতীয় ইনসেনটিভ নীতি ও রপ্তানির জন্য সেজ-এর মতো সুযোগসুবিধা দিলে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবেই। তাঁর মন্তব্য, ‘যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট অথরিটি নয়ডার কাছে ১০০ একর জমিতে টয় ক্লাস্টার গড়ে তুলছে। সেখানে ১০০-র বেশি সংস্থা আগামী তিন বছরে ১,০০০ কোটি টাকার মতো লগ্নি করবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মিলিয়ে প্রায় দেড় লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তিন বছরের মধ্যে ক্লাস্টারে উৎপাদন চালু হয়ে গেলে আমরা খেলনা শিল্পে চিনকে অতিক্রম করে যাব।’ তাঁর দাবি, খেলনা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ হবেই।

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here