Latest: sushant singh rajput death case: ‘বলিউডের ১০-১৫ জন নামী অভিনেতা কোকেনখোর, কেবল অক্ষয় কুমার ব্যতিক্রম!’ – drug culture in bollywood, 10 to 15 top a-list actors, barring akshay kumar are addicted to cocaine: ssr’s friend yuvraj s. singh

Latest: sushant singh rajput death case: ‘বলিউডের ১০-১৫ জন নামী অভিনেতা কোকেনখোর, কেবল অক্ষয় কুমার ব্যতিক্রম!’ – drug culture in bollywood, 10 to 15 top a-list actors, barring akshay kumar are addicted to cocaine: ssr’s friend yuvraj s. singh

হাইলাইটস

  • তাঁর দাবি, এই ড্রাগের নেশা রয়েছে বলিউডের প্রথম সারির নামী অভিনেতাদের।
  • অভিনেতা যুবরাজ সিং জানিয়েছেন, বিভিন্ন পার্টিতে তাঁকেও একাধিক বার ড্রাগ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
  • বলিউডের প্রথম সারির ১৫ জন অভিনেতা এই ড্রাগের নেশায় আসক্ত বলে দাবি করেছেন তিনি।

এই সময় বিনোদন ডেস্ক: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে গিয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত শুরু করেছে ইডি এবং এনসিবি। বলিউডের ড্রাগ-যোগ নিয়ে নতুন করে ঘৃতাহুতি হয়েছে সুশান্তের গার্লফ্রেন্ড রিয়া চক্রবর্তী-সহ একাধিক ব্যক্তিকে এনসিবির গ্রেফতারির পর। এবার বলিউডের ড্রাগ-যোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন অভিনেতা-প্রযোজক ও সুশান্তের ঘনিষ্ঠ বন্ধু যুবরাজ এস সিং। তাঁর দাবি, এই ড্রাগের নেশা রয়েছে বলিউডের প্রথম সারির নামী অভিনেতাদের।

সম্প্রতি একটি সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেছেন, ‘বহুদিন ধরেই ড্রাগ নিয়ে নানা কাণ্ড চলছে। হয়তো ১৯৭০ সাল থেকে। তখন জিনিসগুলো অন্যরকম ছিল। সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না তখন। এখন সবই প্রকাশ্যে চলে আসছে’। তাঁর কথায়, ‘ইন্ডাস্ট্রির একাধিক ব্যক্তি কোকেন নেয়। অভিনেতা এবং পরিচালকরে মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাঁরা ড্রাগ নেন এবং সেভাবেই ঘুরে বেড়ান। এবং সে কারণেই এতটা পাগলামি হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রির ভিতরে।’

ইন্ডাস্ট্রিতে কী ধরনের ড্রাগ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়?

‘বেইমান লাভ’ ছবির অভিনেতা এ নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘গাঁজা তো সিগারেটের মতো। ক্যামেরাপার্স থেকে টেকনিশিয়ান, সেটের মধ্যেই গাঁজা খান সবাই। বলিউডের পার্টিগুলিতে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হয় কোকেন। বলিউডের প্রধান ড্রাগই হল কোকেন। তার পর রয়েছে MDMA, এক্সট্যাসি, LSD-ও বলা হয় এগুলিকে। অ্যাসিডও বলে অনেকে। রয়েছে কেটামাইন। ঘোড়াকে বসে আনার ওষুধ। অনেকেই এগুলি নেয় এবং এগুলি খুবই কড়া ড্রাগ। প্রায় ১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা নেশা হয়ে থাকে এগুলি নিলে। কোকেনও খুবই কড়া ড্রাগ। এবং আমি বলব যে ইন্ডাস্ট্রির ৫-১০ জন অভিনেতার দ্রুত এই নেশা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। নয়তো এরা মরে যাবে সবাই।’

অভিনেতা যুবরাজ সিং জানিয়েছেন, বিভিন্ন পার্টিতে তাঁকেও একাধিক বার ড্রাগ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, অনেক বার আমাকে ড্রাগের অনুরোধ করা হয়েছে। এটা খুবই স্বাভাবিক। এভাবেই এখানে কাজ চলে। ড্রাগ নিয়ে পার্টিতে যান অনেকে। এভাবেই চলে এখানে। অনেকে এ কারণে কাজ পান। আপনি যদি সঠিক পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে ড্রাগ নেন, তাহলে আপনি ঠিক লবির লোক। এবং আপনার যোগাযোগ রয়েছে। বলিউডের কাজের ধরনই এটা। এভাবেই একটা নিজস্ব গণ্ডি তৈরি করে কাজ হয় এখানে।’

কেন কোনও নাম তিনি বললেন না? অভিনেতার কথায়, ‘বেশিরভাগই এই নেশা করেন। আমি নিজে চোখে অনেককে দেখেছি। বছরের পর বছর ধরে এরা একই গণ্ডির মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। এবং একে অপরের সঙ্গে কাজ করছে।’ কয়েকদিন আগে করণ জোহরের বাড়ির পার্টির একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন যুবরাজ এস সিং। কারও নাম নিলে কাজের অভাব হতে পারে তাঁর, সে কারণেই নির্দিষ্ট করে কারও কথা তিনি বলতে চান না। তবে বলিউডের প্রথম সারির ১৫ জন অভিনেতা এই ড্রাগের নেশায় আসক্ত বলে দাবি করেছেন তিনি। যদিও অক্ষয় কুমার এ সবের থেকে দূরে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: করণ জোহরের পার্টিতে মাদক! NCB নজরে কি ভিকি কৌশল?

এই সময় ডিজিটালের বিনোদন সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে
ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here