Latest: ভোটারের দরজায় তারকাদের গালভরা প্রতিশ্রুতি

Latest: ভোটারের দরজায় তারকাদের গালভরা প্রতিশ্রুতি

ভোটের পর নেতাকে এলাকায় খুঁজে পাওয়া যায় না— এমন আক্ষেপ সাধারণ মানুষের মুখে সবসময় শোনা যায়। তারকাপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আরো বেশি। পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন টলিউডের একঝাঁক তারকা। নির্বাচনী প্রচারে তারা রাত-দিন এক করে ফেলছেন, জোড় হাতে দাঁড়াচ্ছেন ভোটারের দুয়ারে। নির্বাচনের আগে মানুষকে কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা? সিনেমায় রাজা-উজির মারেন, বাস্তবে কতটা পারবেন প্রশ্ন সেখানেই।

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের প্রার্থী তিনি। বিজেপির হয়ে লড়াইয়ে নামা এই অভিনেতা বললেন, ‘কাটমানি-তোলাবাজি নিয়ে ভয়ঙ্কর ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছে এলাকার মানুষ। এটা দূর করতেই হবে! ভবানীপুর আমার কাছে মিনি ভারত। সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে একটি কমিউনিটি সেন্টার খোলার ইচ্ছে আছে।’

বিজেপি উগ্র হিন্দুত্ববাদে বিশ্বাসী নয় বলে মনে করেন রুদ্রনীল। বিষয়টি উল্লেখ করে এই অভিনেতা বলেন, ‘কোনো ধর্মকে অস্বীকার করার কথা বলে না বিজেপি। অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে। দলে অনেক সংখ্যালঘু কর্মী-সমর্থক রয়েছেন। বিজেপি ‘মুসলিম-বিরোধী’ বলে যে অপপ্রচার চলছে, তা বন্ধ হওয়া দরকার। ধর্মীয় ভেদাভেদ তৃণমূলের অস্ত্র। সেটা ইমাম ভাতা আর পুরোহিত ভাতার অঙ্ক দেখলেই বোঝা যায়।’

তৃণমূলের টিকিট পাওয়ার আগে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ বিতর্কে সরগরম ছিল রাজ্য-রাজনীতি। সেই সায়নী ঘোষ নিজের কেন্দ্র আসানসোল দক্ষিণের ঘরে ঘরে ছুটে যাচ্ছেন। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। এ অভিনেত্রী বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, এর বাইরে আর কিছু ভাবছি না। ফলাফল যা-ই হোক, সক্রিয় রাজনীতি চালিয়ে যাব। তার নির্বাচনী এলাকায় পানীয় জলের সরবরাহ অনুমোদন পাওয়ার পর আটকে আছে, প্রচারে গিয়ে শুনেছেন সায়নী। ক্ষমতায় গেলে সেই আটকে থাকা কাজগুলো আগে শেষ করতে চান তিনি।

আরো পড়ুন :বিরিয়ানিতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ভোট বাক্স লুটের আশঙ্কা মমতার

কৃষ্ণনগর উত্তর আসন থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। তার বিপরীতে রয়েছেন বিজেপির মুকুল রায়। তার স্বপ্ন এ আসনে জয়ী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপহার দেওয়া। প্রতিশ্রুতি দিয়ে কৌশানী বলেন, ‘বিজয়ী হলে এলাকার নারীদের উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করতে চাই।’ হার নিয়ে এখনই ভাবতে রাজি নন তিনি।

বিজেপির প্রার্থী হয়ে হুগলির চণ্ডীতলা কেন্দ্র থেকে লড়ছেন তারকা অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, ‘এলাকার মানুষদের যে কোনো চিকিৎসার জন্য উত্তরপাড়া যেতে হয়। কারণ, এখানকার হাসপাতালের অবস্থা খুবই খারাপ। শহর ছাড়িয়ে একটু এগোলেই ঢালাই রাস্তা নেই। জিতলে অনেক দায়িত্ব আসবে, সেগুলো পালন করতে চাই।’

অন্যদিকে তৃণমূলের হয়ে উত্তরপাড়া আসন থেকে লড়ছেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। তিনি বলেন, ‘হেরে গেলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে নেব। কিন্তু দল ছেড়ে যাব না। এলাকায় থেকে মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে এ অভিনেতা বলেন, ‘এখানকার স্টেট জেনারেল হাসপাতালের অবস্থার উন্নতি করতে চাই। এ ছাড়া কাঁচা নর্দমা, পানীয় জলের সমস্যার দিকেও নজর দেব।



Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here