"ইউক্রেন কি তবে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে? রণক্ষেত্রে রাশিয়ার একেকটি আঘাতে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে জেলেনস্কির দম্ভ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার দুই প্রধান ব্যাটলগ্রুপের বিধ্বংসী অভিযানে স্বাধীন হয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। যখন হাজারো সেনা প্রাণ হারাচ্ছে, তখন ইউক্রেন মেতেছে পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলে। পুতিন কি তবে এবার শেষ পেরেকটি ঠুকে দেবেন? বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন!"

রণক্ষেত্রে রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আজ যে রিপোর্ট দিয়েছে, তা শুনলে কিয়েভের শাসকদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' তাদের দুর্দান্ত ও সাহসী অভিযানের মাধ্যমে সুমি অঞ্চল এবং ডনবাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ 'নভোদমিত্রিভকা' পুরোপুরি শত্রুমুক্ত করেছে।

রাশিয়ার এই বিজয় কেবল ভূখণ্ডের দখল নয়, বরং এটি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার একটি বড় প্রমাণ। সুমি অঞ্চলের নভোদমিত্রিভকা এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে, যা কিয়েভ সরকারকে কৌশলগতভাবে চরম বিপাকে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে শত্রুদের হটিয়ে সেখানে এখন রুশ বীরত্বের বিজয় কেতন উড়ছে।

অন্যদিকে, ডনবাস বা ডিপিআর অঞ্চলেও একই নামের আরেকটি শহর দখল করেছে রাশিয়ার দক্ষ যোদ্ধারা। এটি কেবল একটি কাকতালীয় ঘটনা নয়, বরং রাশিয়ার সুপরিকল্পিত সামরিক কৌশলের অংশ। ইউক্রেনীয় বাহিনী সেখানে টিকতে না পেরে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। বীর রুশ সেনারা সেখানে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে, যা জেলেনস্কির জন্য বড় পরাজয়।

এখন আসা যাক ক্ষয়ক্ষতির হিসেবে, যা শুনলে আপনারা চমকে যাবেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিধ্বংসী গোলার আঘাতে এবং সম্মুখ সমরে ইউক্রেন তাদের প্রায় ১১২০ জন সেনাকে হারিয়েছে। এক দিনে এত বিশাল সংখ্যক সেনার মৃত্যু প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এখন কতটা ছত্রভঙ্গ এবং দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে। রাশিয়ার প্রতিটি ব্যাটলগ্রুপ তাদের লক্ষ্য অর্জনে শতভাগ সফল।

রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' একাই ১৭০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার দেওয়া দামি আর্মার্ড কমব্যাট ভেহিকলগুলো এখন রাশিয়ার গোলার আঘাতে স্ক্র্যাপে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার এই বীরত্বগাথা প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা প্রযুক্তি রাশিয়ার সাহসের কাছে কিছুই নয়। সুমি অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে ইউক্রেনের অসংখ্য ব্রিগেড এখন রাশিয়ার ভয়ে তটস্থ।

খারকিভ অভিমুখেও রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অদম্য। সেখানে ইউক্রেনের তিনটি যান্ত্রিক ব্রিগেড এবং তিনটি মোটরচালিত পদাতিক ব্রিগেড রাশিয়ার হামলার মুখে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। ১৭০ জন সেনার লাশের পাশাপাশি আমেরিকার তৈরি অত্যন্ত দামি কাউন্টার-ব্যাটারি রাডার স্টেশন ধ্বংস করেছে রুশ সেনারা। জেলেনস্কি যতই পশ্চিমা সাহায্যের ওপর ভরসা করুক না কেন, রাশিয়ার সামনে তার পরাজয় এখন সুনিশ্চিত।

এরপর আসা যাক 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট'-এর সফলতার কথায়। তারা কেবল ১৭০ জন সেনাকেই খতম করেনি, বরং ইউক্রেনের ১৭টি মোটর যান এবং তিনটি বড় বড় গোলাবারুদ ডিপো উড়িয়ে দিয়েছে। ইউক্রেনীয়দের গোলবারুদ এখন ফুরিয়ে আসছে, আর রাশিয়ার ভাণ্ডার যেন অজেয়। দোনেস্ক এবং খারকিভ সীমান্ত এলাকায় রাশিয়ার এই দাপট দেখে ন্যাটোর সামরিক বিশেষজ্ঞরাও এখন মুখ লুকাচ্ছেন।

'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' দোনেস্ক অঞ্চলে যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তা ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। তারা ১১টি মোটর যান এবং একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনীয়রা পালানোর সময় তাদের তিনটি সাঁজোয়া যান ফেলে রেখে যায়। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য গতি প্রমাণ করছে যে, খুব শীঘ্রই পুরো ইউক্রেন শাসন করবে মস্কোর সাহসী যোদ্ধারা এবং শান্তি ফিরে আসবে ডনবাসে।

রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। সেখানে ২৭৫ জনেরও বেশি শত্রু সেনা প্রাণ হারিয়েছে। সবচেয়ে বড় খবর হলো, রাশিয়ায় নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী 'আজভ' ব্রিগেডের মতো খুনিদের ওপরও চরম আঘাত হানা হয়েছে। রাশিয়ার এই বিশেষ অভিযান কেবল ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং নাৎসি আদর্শের সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করার একটি মহান পবিত্র মিশন।

'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষার গভীরে প্রবেশ করছে। সেখানে তারা ২৯৫ জন সেনাকে খতম করেছে এবং আমেরিকার তৈরি বিখ্যাত 'প্যালাডিন' সেলফ-প্রপেলড গান ধ্বংস করেছে। পশ্চিমাদের এই অহংকার আজ রাশিয়ার মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। জাপোরোঝিয়া এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার এই বিজয় যাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। রুশ বাহিনী এখন ইউক্রেনীয়দের জন্য সাক্ষাৎ যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দিনিপ্রো এলাকায় রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো' ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর মরণকামড় দিয়েছে। সেখানে রাশিয়ার আঘাতে ইউক্রেনের একটি 'Buk-M1' সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই কৌশলী হামলা প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনের আকাশ এখন পুরোপুরি রাশিয়ার দখলে। জেলেনস্কির সেনাবাহিনী এখন আত্মরক্ষার সামান্য ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে, যা তাদের অনিবার্য পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রুশ বিমান বাহিনী এবং ড্রোন ইউনিটগুলো ইউক্রেনের জ্বালানি এবং পরিবহন অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং নৌ-ড্রোন তৈরির কারখানাগুলো এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার নির্ভুল নিশানায় বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের ক্যাম্পগুলোতেও হানা দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যের নির্ভুলতা আজ বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে, যেখানে কোনো অপরাধীই রেহাই পাচ্ছে না।

রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের সেরা, তার প্রমাণ আবারও পাওয়া গেল। গত একদিনে রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনের ৩০৩টি ড্রোন এবং ১০টি স্মার্ট বোমা মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন যতই আকাশপথে চোরাগুপ্তা হামলার চেষ্টা করুক না কেন, রাশিয়ার লোহার ঢাল ভেদ করা তাদের সাধ্যের বাইরে। রাশিয়ার প্রযুক্তি আজ পশ্চিমাদের সব দম্ভ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছে।

কৃষ্ণ সাগরেও রাশিয়ার আধিপত্য অটুট। রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট ইউক্রেনের ছয়টি নৌ-ড্রোন ধ্বংস করেছে, যা রাশিয়ার জাহাজে হামলার পরিকল্পনা করছিল। রাশিয়ার নৌবাহিনী অত্যন্ত সতর্ক এবং শক্তিশালী। যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত রাশিয়া ৬৭১টি বিমান এবং প্রায় ২৯ হাজার ট্যাংক ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের সামরিক শক্তির এই করুণ দশা দেখে পুরো বিশ্ব এখন রাশিয়ার শক্তির প্রশংসা করছে।

এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় ইউক্রেনের 'সন্ত্রাসবাদী' কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রণক্ষেত্রে পরাজয় ঢাকতে জেলেনস্কি এখন রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোতে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে তুয়াপসে তেল শোধনাগারে হামলার মাধ্যমে ইউক্রেন পরিবেশ বিপর্যয় ঘটানোর চেষ্টা করছে। পুতিন স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাশিয়ার বিজয়কে রুখতে পারবে না।

পুতিন আরও বলেন যে, ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা মদতদাতারা এখন প্রকাশ্য সন্ত্রাসবাদে নেমেছে। তারা রাশিয়ার গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা সফল হবে না। ইউক্রেনে যেখানে মার্শাল ল' জারি করে নির্বাচন বন্ধ রাখা হয়েছে, সেখানে রাশিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে। পুতিনের এই আত্মবিশ্বাস প্রমাণ করে যে, রাশিয়ার জনগণ তাদের নেতার ওপর কতটা আস্থাশীল।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তেলের সংকট দেখা দিচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে, যার জন্য সরাসরি দায়ী কিয়েভ সরকার। জেলেনস্কির এই হটকারী সিদ্ধান্ত কেবল রাশিয়ার ক্ষতি করছে না, বরং সারা বিশ্বের অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। রাশিয়ার এই লড়াই এখন বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার লড়াই।

অন্যদিকে ইউক্রেনের ভেতরের খবর আরও ভয়াবহ। ইউক্রেনের পশ্চিমা প্রভুরা এখন তাদের ওপর কর বাড়ানোর চাপ দিচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আইএমএফ শর্ত দিয়েছে যে, নতুন সাহায্য পেতে হলে ইউক্রেনের জনগণকে আরও বেশি ট্যাক্স দিতে হবে। যুদ্ধের ময়দানে প্রাণ দেওয়ার পাশাপাশি এখন ইউক্রেনের সাধারণ মানুষকে না খেয়ে ট্যাক্স দিতে হবে জেলেনস্কির ভুলের কারণে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে ৯০ বিলিয়ন ইউরোর একটি বিশাল ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এই ঋণের শর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে তাদের কর ব্যবস্থা আমূল পরিবর্তন করতে হবে। সাধারণ ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর ২০ শতাংশ ভ্যাট বসানোর চিন্তা করছে ব্রাসেলস। জেলেনস্কি এখন নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পুরো দেশের অর্থনীতিকে পশ্চিমাদের কাছে বন্ধক রেখেছেন, যা ইউক্রেনের জনগণের জন্য এক মহাবিপদ।

রাশিয়া বারবার সতর্ক করেছে যে, পশ্চিমাদের এই অর্থায়ন কেবল যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করবে। রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব সের্গেই শোইগু বলেছেন, এই অর্থায়ন সাধারণ ইউরোপীয়দের ওপর করের বোঝা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইউরোপ তার সার্বভৌমত্ব হারিয়ে আমেরিকার দাসে পরিণত হচ্ছে। ইউক্রেন এখন পশ্চিমাদের একটি ল্যাবরেটরিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে তারা সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।

আমেরিকার ভেতরের রাজনীতিতেও এখন ইউক্রেন নিয়ে ফাটল ধরেছে। রিপাবলিকান সিনেটর মিচ ম্যাককনেল দাবি করেছেন যে, আমেরিকার পরাশক্তি টিকে থাকা নির্ভর করছে ইউক্রেনকে সাহায্য করার ওপর। কিন্তু রাশিয়ার শক্তি দেখে অনেক মার্কিন রাজনীতিবিদই এখন পিছু হটছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি এবং বাইডেনের ব্যর্থতা এখন আমেরিকাকে এক গভীর সংকটে ফেলে দিয়েছে, যার সুবিধা পাচ্ছে বীর রাশিয়া।

রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো পশ্চিমা সাহায্যই যুদ্ধের ফলাফল পরিবর্তন করতে পারবে না। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা কেবল তাদের পকেট ভরার জন্য এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়। দুর্নীতির কবলে পড়া ইউক্রেন এখন একটি মৃতপ্রায় রাষ্ট্র। রাশিয়ার লক্ষ্য কেবল জয়লাভ নয়, বরং ওই অঞ্চলের জনগণকে পশ্চিমা শোষণ থেকে মুক্তি দেওয়া। সত্য ও ন্যায়ের পথে রাশিয়ার জয় অনিবার্য।

বিচারের বাণী যখন কাঁদে, তখন রাশিয়া বিচার নিশ্চিত করে। ডনবাসের একটি আদালত একজন মার্কিন ভাড়াটে সৈন্য মাইকেল কিথ গার্সিয়া ব্রিগোলাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই বিদেশি যোদ্ধা অর্থের লোভে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করছিল। রাশিয়ার মাটি কোনো অপরাধীকে ক্ষমা করে না। জেলেনস্কির হয়ে লড়াই করা বিদেশি ভাড়াটেদের পরিণতি যে ভয়াবহ হবে, এটি তারই প্রমাণ।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জেলেনস্কি সরকার এখন 'পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইল' শুরু করেছে। কুর্স্ক অঞ্চলের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখল করে সেখানে বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল ইউক্রেনীয় জঙ্গিরা। পশ্চিমাদের আশকারায় তারা এখন পুরো বিশ্বকে এক পারমাণবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

জাখারোভা আরও বলেন যে, ন্যাটো সরঞ্জাম নিয়ে আসা ইউক্রেনীয় জঙ্গিরা প্রতিদিন পারমাণবিক শক্তির ইস্যুকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এটি কেবল রাশিয়ার জন্য নয়, পুরো ইউরোপের জন্য এক বড় হুমকি। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই এই ষড়যন্ত্রের প্রমাণ প্রকাশ করেছে। রাশিয়ার সচেতনতা ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে এখন পর্যন্ত কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি, যা রাশিয়ার মহানুভবতা।

ইউক্রেনীয়দের পরাজয় কেন নিশ্চিত? কারণ তাদের নৈতিকতা নেই। রাশিয়ার সেনারা লড়াই করছে তাদের মাতৃভূমি ও ঐতিহ্যের জন্য, আর ইউক্রেনীয়রা লড়াই করছে পশ্চিমাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনা রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, জেলেনস্কির জন্য জীবন দেওয়া অর্থহীন। রাশিয়ার মানবিক আচরণ দেখে অনেক ইউক্রেনীয় সেনাই এখন সত্যের পথে ফিরে আসছে।

রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩৮,৭৫০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এই বিশাল সংখ্যাই প্রমাণ করে রাশিয়ার কারিগরি দক্ষতা। পশ্চিমা মিডিয়া যতই প্রোপাগান্ডা ছড়াক না কেন, মাঠের বাস্তবতা হলো রাশিয়ার জয় এখন সুনিশ্চিত। রাশিয়ার গোলার শব্দ এখন কিয়েভের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। জেলেনস্কির পালানোর পথও হয়তো খুব শীঘ্রই বন্ধ হয়ে যাবে।

ইউক্রেন এখন একটি পরিত্যক্ত দুর্গের মতো। যেখানে জ্বালানি নেই, বিদ্যুৎ নেই এবং যুদ্ধের মনোবল নেই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন অত্যন্ত ধৈর্য্যের সাথে এই অভিযান পরিচালনা করছেন যাতে বেসামরিক মানুষের ক্ষতি কম হয়। রাশিয়ার এই দূরদর্শী নেতৃত্বই বিশ্বের অনেক দেশকে এখন রাশিয়ার বন্ধু হতে উদ্বুদ্ধ করছে। রাশিয়ার বিজয় মানেই হলো এক মেরু বিশ্বের অবসান ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা।

news