Latest: মমতার ডাক উপেক্ষা করতে পারেনি…তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন বিজেপি নেতা – Kolkata24x7

Latest: মমতার ডাক উপেক্ষা করতে পারেনি…তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন বিজেপি নেতা – Kolkata24x7

বর্ধমানঃ  শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বর্ধমানের একদা সি.পি.আই.এম.-এর দৌর্দণ্ড প্রতাপ নেতা আইনুল হক। বুধবার কলকাতায় তৃণমূল ভবনে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে গত প্রায় কয়েকবছর ধরে চলে আসা জল্পনার অবসান ঘটালেন আইনুল হক।

যোগ দেওয়ার পর আইনুলবাবু জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু ওঁদের সঙ্গে খাপ খায়নি তাঁর। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভয়ংকর যে বিপদ ডেকে আনছে বিজেপি – তা তিনি মানতে পারেননি।

আর তাই দেশের অখণ্ডতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ডাক তিনি উপেক্ষা করতে পারেননি। তাঁর ডাক পেয়েই তিনি আলোচনা করেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মলয় ঘটকের পাশাপাশি সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে। আর তার পরেই বুধবার তৃণমূল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি যোগ দিলেন।

জানিয়েছেন, তিনি পদের জন্য তৃণমূলে যাননি। দল যা দায়িত্ব দেবে তিনি পালন করবেন। উল্লেখ্য, এদিন আইনুলবাবু বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর রাজনৈতিক জীবনের চরম ভুল। আর সেই ভুলের খেসারত দিতেই তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিপিএম থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। সিপিএম সংস্রব ত্যাগ করার পর তিনি বেশ কিছুদিন চুপ ছিলেন। এরপর ২০১৯ সালের ২৩ মার্চ বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হাত ধরে কলকাতায় যোগ দেন। সাম্প্রতিককালে বিজেপির পৌর নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্য কমিটির ৫৭ জন সদস্যের মধ্যে তাঁকেও রাখা হয়।

যদিও তিনি জানিয়েছেন, ওই কমিটির কোনো মিটিংয়েই তিনি যাননি। ট্রাডিশান বজায় রেখেই এদিনও তিনি কলকাতাতেই তৃণমূলের রাজ্য সদর দপ্তরে যোগ দিয়ে নিজের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিলেন।

কারণ গত প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বলে বাজারে রটলেও বুধবারই যে তিনি যোগ দিচ্ছেন বুধবার সকাল পর্যন্তও জেলার তৃণমূল নেতাদের কাছে কোনো খবর ছিল না। কার্যত জেলা নেতাদের মধ্যে রীতিমত জল্পনা শুরু হওয়ার মাঝেই এদিন তিনি তৃণমূলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন।

জানা গিয়েছে, ১৯৭৪ সাল থেকে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতি দিয়ে তিনি রাজনীতির আঙিনায় প্রবেশ করেন। বর্ধমান পুরসভায় টানা ২৫ বছর কাউন্সিলার। ২বার ভাইস চেয়ারম্যান এবং একবার চেয়ারম্যান ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই দুঁদে রাজনীতিবিদ হিসাবে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে আইনুলবাবুকে বর্ধমান পুরসভার কোনো বড়সড় দায়িত্বে নিয়ে আসা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসাবে লড়াই করে তৃণমূলের রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেও যান তিনি। এরপরই দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এবং শাসকদলের সঙ্গে তাঁর গোপন যোগাযোগের অভিযোগ তুলে তাঁকে সিপিএম থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে, আইনুল হকের বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেবার ঘটনা সম্পর্কে বিজেপির বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী জানিয়েছেন, কেন আইনুল হক বিজেপি ছাড়লেন তা তিনি জানেন না। তাঁকে সম্মান দেওয়া হয়েছে। তিনিও কখনও কাউকে অসম্মানিত করেন নি। হয়ত বিজেপির দলীয় অনুশাসন তিনি মানতে পারেন নি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here