Latest: Sayantan Basu: ভেঙে দেব তৃণমূলের সব অফিস, হুঙ্কার সায়ন্তনের – bengal bjp leader sayantan basu sparks row with violent speech

Latest: Sayantan Basu: ভেঙে দেব তৃণমূলের সব অফিস, হুঙ্কার সায়ন্তনের – bengal bjp leader sayantan basu sparks row with violent speech

এই সময়: অপেক্ষা নাকি শুধু নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহদের ছাড়পত্রের। সেটা মিললেই এ রাজ্যে তৃণমূলের সব পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। রবিবার দুপুরে যাদবপুরে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তাঁর হুঙ্কার, ‘আমাদের কর্মীদের উপরে হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা অনুমতি দিলে বাংলায় তৃণমূলের একটা পার্টি অফিসও থাকবে না। সব ভেঙে গুঁড়িয়ে দেব।’

তাঁর এই মন্তব্যে স্বাভাবিক ভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের কটাক্ষ, ‘আমি তো নরেন্দ্র মোদীদের বলব, অনুমতি দিতে। তা হলেই বোঝা যাবে এ রাজ্যে বিজেপির কত মুরোদ! বসিরাহাটে পরাজয়ের পর থেকেই সায়ন্তনবাবু আবোলতাবোল বকে চলেছেন।’

ঘটনা হল, বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই সুর চড়াচ্ছেন বিজেপি নেতারা। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ নিয়ম করে পুলিশকে আক্রমণ করছেন। তাঁকে অনুসরণ করছেন সায়ন্তনরা। তবে কেন্দ্রীয় নেতাদের ছাড়পত্র মিললেও রাজ্যে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়ার মতো লোকবল আছে কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে বিজেপির অন্দরেই। সায়ন্তনের কাছে এই প্রশ্ন তুলেতই ঢোক গিলে তাঁর মন্তব্য, ‘যা বলার যাদবপুরে বলেছি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অনুমতি দিলে কী হবে, সেটা তখনই দেখতে পারবে সবাই।’

তৃণমূল প্রথম থেকেই বলে আসছে, বাংলার বিজেপি নেতাদের গুরুত্ব নেই। দিল্লির নেতারা বাংলা শাসনের চেষ্টা করছেন। সায়ন্তনের হুমকিকে হাতিয়ার করে তৃণমূল আরও জোরালো ভাবে সেই অভিযোগ তুলেছে। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতাদের সাহায্য ছাড়া যে বাংলার বিজেপি নেতাদের এক পা-ও এগোনোর ক্ষমতা নেই, সেটা আরও এক বার প্রমাণ হল।’

তবে দিলীপ, সায়ন্তনদের এহেন হুমকি-হুঁশিয়ারি নিয়ে বিজেপির অনেকেই মনে করছেন, বাংলার মানুষ এ ধরনের মন্তব্য ভালো ভাবে নেয় না। সায়ন্তনের অবশ্য দাবি, যে যা ভাষা বোঝে তার সঙ্গে সেই ভাষাতেই কথা বলা উচিত। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, ‘যাদবপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে আমাদের পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখছে। তৃণমূলের দুষ্কতীরা তাণ্ডব চালাচ্ছে। এর পরেও চুপ করে থাকব!’ রাজ্য বিজেপিতে দিলীপপন্থীদের তত্ত্বই হল, তৃণমূলের সন্ত্রাসের জবাবে পাল্টা হুমকি, হুঁশিয়ারি না দিলে দলীয় কর্মীদের মনোবল ধরে রাখা যাবে না। তবে এই হুঙ্কার-রাজনীতিতে আসল কাজটাই আড়ালে চলে যাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজ্য বিজেপিরই এক শীর্ষ নেতা। তাঁর কথায়, ‘মুকুলদা (রায়) রাজ্য কমিটির বৈঠকে বলেছিলেন, বুথ শক্তিশালী না হলে ভোটে লড়াই করা যাবে না। বুথ নিয়ন্ত্রণের মুরোদ কারও নেই। শুধু গরম গরম কথা।’

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here