Latest: cyber crime: মেসেঞ্জারে টাকা চাইছেন আইপিএস! প্রতারণার নয়া ফাঁদ – with fake profiles of ips officers criminals are setting trap of deception

Latest: cyber crime: মেসেঞ্জারে টাকা চাইছেন আইপিএস! প্রতারণার নয়া ফাঁদ – with fake profiles of ips officers criminals are setting trap of deception

পিয়ালী চক্রবর্তী

একেবারে বাঘের ঘরেই হানা!

খোদ আইপিএস অফিসারদের ভুয়ো ফেসবুক প্রোফাইল খুলে সেখান থেকে অন্য পরিচিত পুলিশ আধিকারিকদের মেসেজ পাঠিয়ে টাকা ট্রান্সফারের বার্তা দিয়েছে সাইবার প্রতারকেরা। মেসেজ গিয়েছে ওই অফিসারদের অন্য পরিচিতদের কাছেও। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি প্রবীণ ত্রিপাঠী, ডিআইজি সিআইডি (স্পেশাল) অনুপ জয়সওয়াল বা রায়গঞ্জের এসপি সুমিত কুমারের মতো অফিসারদের ভুয়ো প্রোফাইল থেকে এ ধরনের বার্তা গিয়েছে। তালিকায় রয়েছেন কলকাতা পুলিশের দুই সাব-ইনস্পেক্টরও। তবে এখনও পর্যন্ত এই ফাঁদে কেউ টাকা খোয়াননি বলেই জানা গিয়েছে।

প্রবীণ ত্রিপাঠীর ভুয়ো মেসেঞ্জার থেকে এক পরিচিতকে জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি পেটিএম ব্যবহার করেন কি না। সদুত্তর মিলতেই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ই-ওয়ালেটে ১০ হাজার টাকা ট্রান্সফারের বার্তা গিয়েছে। একই মেসেজ গিয়েছে ফেসবুকে তাঁর অন্য পরিচিতদের কাছেও। এই জিনিস ঘটেছে বাকি পুলিশকর্মীদের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, পুলিশের ফেসবুক প্রোফাইলেও ‘সিঁদ’ কেটেছে সাইবার জালিয়াতরা। ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারে বিভিন্ন ইউজারের ছবি এবং অন্য তথ্য ব্যবহার করে ভুয়ো প্রোফাইলের মাধ্যমে প্রতারণার (স্পুফিং) নয়া জাল বিস্তৃত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বন্ধু তালিকায় থাকা পরিচিতদের পাঠানো হচ্ছে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট। ভুয়ো মেসেঞ্জার প্রোফাইল থেকে মেসেজ পাঠিয়ে টাকা ধার চাওয়া হচ্ছে।

মাসখানেকের মধ্যেই কলকাতা পুলিশের কাছে এমন অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়েছে। কিছুদিন আগে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষের সঙ্গে একই ঘটনা ঘটে। কলকাতা পুলিশের সাইবার থানায় অভিযোগ জানান তিনি। তবে উদ্বেগজনক হল একসঙ্গে এত জন পুলিশের ভুয়ো প্রোফাইল খুলে প্রতারণার চেষ্টা। যা নজিরবিহীন বলে জানাচ্ছেন পুলিশমহলের একাংশ।

ক’দিন আগে প্রবীণ ত্রিপাঠী কয়েকজন সহকর্মী ও পরিচিতের থেকে তাঁর নামে ভুয়ো প্রোফাইলের বিষয়টি জানতে পারেন। সূত্রের খবর, পুলিশের উর্দি পরা তাঁর ছবি এবং নাম ব্যবহার করে ভুয়ো প্রোফাইলটি খোলা হয়। তিনি জানান, বিষয়টি নজরে আসতেই বারুইপুর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ব্লক করা হয়েছে প্রোফাইলটি।

একই ঘটনা ঘটে অনুপ জয়সওয়াল এবং সুমিত কুমারের সঙ্গেও। সুমিত কুমার বলেন, ‘এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।’ অনুপ জানান, তাঁর নামে থাকা ভুয়ো প্রোফাইলটি ইতিমধ্যেই সিআইডির সাইবার শাখা ব্লক করে দিয়েছে। এ বিষয়ে ফেসবুকের বন্ধুদের সতর্ক করে পোস্টও করেছেন অনুপ। মেটিয়াবুরুজ থানার সাব-ইনস্পেক্টর অখিলেশ ঝা এবং উত্তর কলকাতার একটি থানার অফিসারের নাম-ছবি ব্যবহার করেও খোলা হয়েছে ভুয়ো প্রোফাইল। কলকাতা পুলিশের সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা। ফেসবুকেও সকলকে সতর্ক করে পোস্ট করেছেন।

কিন্তু পুলিশের ভুয়ো প্রোফাইল খোলার ঝুঁকি প্রতারকেরা নিল কেন? তদন্তকারীদের বক্তব্য, প্রতারকেরা জানে পুলিশ অফিসার, বিশেষ করে ডিআইজি বা এসপির ছবি-সহ প্রোফাইল থেকে মেসেজ গেলে সাধারণ ভাবে কারও সন্দেহ হওয়ার কথা নয়। বরং ফাঁদে পা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদিও এ ক্ষেত্রে প্রতারকদের পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে।

ভিন রাজ্যের সিম কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাবে প্রতারণা চালাচ্ছে সাইবার প্রতারণার ‘রাজধানী’ জামতাড়া গ্যাং। এ ক্ষেত্রেও তাদের হাত থাকতে পারে বলে অনুমান।

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here