Latest: cyber fraud: প্রতারণা চক্রের নয়াশিকড় কি রাজস্থান – cyber fraud cycle roots can be traced to rajasthan

Latest: cyber fraud: প্রতারণা চক্রের নয়াশিকড় কি রাজস্থান – cyber fraud cycle roots can be traced to rajasthan

পিয়ালী চক্রবর্তী

মরুরাজ্যে বসেই কি চলছে পুলিশ অফিসার থেকে সাধারণ নাগরিকদের ভুয়ো ফেসবুক প্রোফাইল খুলে টাকা হাতানোর ছক? দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পুলিশ অফিসার এবং কর্মীদের প্রোফাইল জালিয়াতির প্রাথমিক তদন্তে এই প্রশ্ন উঠে আসছে। প্রথমে জামতাড়া গ্যাংয়ের কথা মনে হলেও, ক্রমশ রাজস্থান যোগই সামনে আসছে। যদিও জামতাড়া গ্যাংকেও নজরে রাখছে পুলিশ।

সম্প্রতি তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষের দায়ের করা অভিযোগে বিষয়টি সামনে আসে। তাঁর নামে ভুয়ো প্রোফাইল খুলে ফেসবুক মেসেঞ্জারে বিভিন্ন লোকের থেকে টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে কলকাতা পুলিশের সাইবার থানায় গত ৯ অগস্ট অভিযোগ করেন কুণাল। মেসেজে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, সেটি রাজস্থানের ভরতপুরের একটি ব্যাঙ্কের শাখার অ্যাকাউন্ট। কর্নাটকের কারোয়ার গ্রামীণ পুলিশের এক সাব-ইনস্পেক্টরের বন্ধু ভুয়ো মেসেজ পেয়ে সাত হাজার টাকা খুইয়েছেন। এ ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট নম্বরটি জয়পুরের একটি ব্যাঙ্কের শাখার।

গ্রেটার চেন্নাইয়ের সিপি-সহ তামিলনাডুর পুলিশকর্তাদের নামে যে ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি ট্র্যাক করেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাজস্থানের আইপি অ্যাড্রেস পাওয়া গিয়েছে। কয়েকটি আইপি অ্যাড্রেস ওডিশার। সূত্রের খবর, জামতাড়ার মতো রাজস্থানের ভরতপুর-সহ বিভিন্ন প্রান্তে সাইবার প্রতারণা চক্র সক্রিয়। কঠোর লকডাউনের সময়ে বাড়িতে মদের হোম ডেলিভারির নামে প্রতারণা শুরু হয়েছিল। বিভিন্ন নামী সংস্থার নামে ভুয়ো প্রোফাইল খুলে টাকা হাতানোর কারবার চলছিল। কলকাতায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। তার পিছনে রাজস্থানি গ্যাংয়ের যোগ মিলেছিল।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথমে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ব্রাউজ করে টার্গেট স্থির করে চক্রটি। পুলিশের ভুয়ো প্রোফাইল খোলার ক্ষেত্রে যে সব অফিসার উর্দিতে তাঁদের প্রোফাইল ছবি দিয়েছেন, তাঁদের বেছে নিচ্ছে প্রতারকেরা। এ ছাড়া অনেকে আইপিএস-এর ছবি থাকে ইন্টারনেটেও। যে সব প্রোফাইল লক করা নেই, সেগুলি ঘেঁটে একটি ফ্রেন্ড লিস্টও তৈরি করে নেওয়া হচ্ছে। তার পরে ডাউনলোড করা ছবি দিয়ে পুলিশ অফিসারের ভুয়ো প্রোফাইল তৈরি করে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর ব্যাপার। অতঃপর জরুরি প্রয়োজনে টাকা চেয়ে মেসেজ।

তদন্তকারীদের বক্তব্য, এ ধরনের প্রতারকেরা অনেক বেশি বেপরোয়া হয়। পুরো কাজটাই চলে ভুয়ো সিমকার্ড, ভুয়ো নামে নেওয়া মোবাইল বা ভুয়ো নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা ই-ওয়ালেট খুলে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ধরা পড়া আশঙ্কা কম থাকে। বরং প্রতারকেরা এটা জানে, আইপিএস বা পুলিশ অফিসার বা কোনও পদাধিকারীর নামে অ্যাকাউন্ট দেখলে লোকের মনে সন্দেহের অবকাশ কম।

পুলিশের পরামর্শ

– প্রোফাইল লক রাখুন

– প্রোফাইল পিকচার গার্ড অ্যাক্টিভ করুন

– ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবেন না

– দু’টি অ্যাকাউন্ট রাখার অভ্যাস না-থাকাই ভালো

– দ্বিস্তরীয় ভেরিফিকেশন পদ্ধতি কাজে লাগান

– টাকা লেনদেন সংক্রান্ত মেসেজে ভালো করে যাচাই না করে সাড়া দেবেন না

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here