Latest: lawyer rajat dey murder case: রজত দে মামলা: এজলাসে কান্না, বাইরে স্লোগান কঠোর সাজার – lawyer rajat dey murder case, wife convicted by the court

Latest: lawyer rajat dey murder case: রজত দে মামলা: এজলাসে কান্না, বাইরে স্লোগান কঠোর সাজার – lawyer rajat dey murder case, wife convicted by the court

আশিস নন্দী বারাসত

করোনা পরিস্থিতিতে সোমবার বারাসত আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক তৃতীয় কোর্টে ভিড় তেমন ছিল না। আইনজীবী, পুলিশ-সহ জনা কুড়ি। এজলাসের বাইরে ছিলেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। আইনজীবী রজত দে খুনে বিচারক নিহতের আইনজীবী স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করতেই সবার নজর ঘুরে যায় অনিন্দিতা পালের দিকে। এতক্ষণ শান্ত-স্বাভাবিক এজলাসের আবহ বদলে যায় মুহূর্তে। অনিন্দিতা চিৎকার করে বলতে থাকে, ‘এটা খুন নয়, আত্মহত্যা। আমি কিছুই করিনি। জেলে যাব না। বাবার সাথে বাড়ি যাব।’

এজলাসে ঢোকার পরেও স্বাভাবিক থাকা তরুণীর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরের আচরণে সবাই হতচকিত হয়ে পড়েন। রায় ঘোষণার পরেও আধ ঘণ্টা মতো এজলাসকক্ষেই বসে থাকে সে। জেলে যাবে না বলে অনড় হয়ে পুলিশকেও বিড়ম্বনায় ফেলে দেয়। মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, মেঝেয় বসেও পড়ে অনিন্দিতা। আবার পরে কোর্ট লকআপে থাকা অবস্থায় পরিচিত এক আইনজীবীকে দেখে চিৎকার করে বলে ওঠে, ‘মজা দেখতে এসেছো? তোমরা সব বিশ্বাসঘাতক।’

কপালে চন্দনের ফোঁটা নিয়ে রায় ঘোষণার আগে যে তরুণী শান্ত ভাবে এজলাসের বেঞ্চে বসে থেকেছে, পরিচিত আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেছে স্বাভাবিক ভাবে–পরে তারই অস্থিরতায় অবশ্য প্রবীণ আইনজীবীরা ততটা বিস্মিত নন। তাঁরা বলছেন, এক বার সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরে হয়তো বিচারে বেকসুর হওয়ার আশায় ছিল অপরাধী। তার বদলে সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে–এমন ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে আর নিজেকে সামলাতে পারেনি। বিচারক যখন প্রথমে তদন্তকারী পুলিস অফিসারকে গাফিলতি নিয়ে ভৎর্সনা করেন, তখনও স্বাভাবিকই ছিল অনিন্দিতা। আত্মহত্যার তত্ত্ব বাতিল করে বিচারক খুনের কথা বলতেই উত্তেজিত হয়ে ওঠে। পরিচিত আইনজীবীকে জড়িয়ে কাঁদতে থাকে। বলে, ‘আমি না থাকলে আমার বাচ্চা ছেলেটা মরে যাবে।’ কখনও বলে, ‘মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলব।’ কখনও আইনজীবীদের জিজ্ঞেস করে, ‘কবে জামিন পাব?’ তার বাবা ও আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লড়াইয়ের আশ্বাস দিলেও অনিন্দিতা কারও কথা শুনতে চায়নি। আবার এমন পরিস্থিতিতেই একাংশ আইনজীবী তার কঠোর সাজার দাবিতে স্লোগান তোলেন এজলাসের বাইরে।

নিহত রজতের বৃদ্ধ বাবা সমীরকুমার দে বলেন, ‘এমন নৃশংস ঘটনা দেখা যায় না। ছেলের সঙ্গে সন্ধেবেলাতেও হাসিমুখে বেরিয়েছিল। রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়েছে। রাতের খাবারও কিনে এনেছিল। তার পর সে রাতেই নৃশংসভাবে ছেলেকে খুন করেছে। দৃষ্টান্ত তৈরির জন্য ওর ফাঁসিই চাই।’

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here