Latest: lawyer rajat de: সংশোধনের সুযোগ রয়েছে, আইনজীবী রজত দে খুনে স্ত্রী অনিন্দিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড! – kolkata highcourt’s lawyer rajat de murderer anindita de sentenced to life imprisonment

Latest: lawyer rajat de: সংশোধনের সুযোগ রয়েছে, আইনজীবী রজত দে খুনে স্ত্রী অনিন্দিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড! – kolkata highcourt’s lawyer rajat de murderer anindita de sentenced to life imprisonment

হাইলাইটস

  • বুধবার তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করলেন বিচারক।
  • সঙ্গে দশ হাজার হাজার জরিমানা অনাদায়ে ছ’মাসের জেল ও ২ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
  • বিচারকের মত অনুযায়ী, অনিন্দিতার বয়স কম, তাই তাঁর সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের তরুণ আইনজীবী রজত দে’র হত্যাকাণ্ডে সোমবারই তাঁর স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বারাসতের ফাস্ট ট্র্যাক তৃতীয় কোর্টের বিচারক সুজিতকুমার ঝা। আর এদিন, বুধবার তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করলেন বিচারক। সঙ্গে দশ হাজার হাজার জরিমানা অনাদায়ে ছ’মাসের জেল ও ২ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কেন ফাঁসি নয়? বিচারকের মত অনুযায়ী, অনিন্দিতার বয়স কম, তাই তাঁর সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্বরে এই মামলার রায় শোনার জন্যে প্রচুর লোকের ভিড় হয়। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরাও ছিলেন। অনিন্দিতার ফাঁসির দাবিতে আদালত চত্বরে বিক্ষোভও দেখান অনেকে। তাঁদের সমর্থক জানান রজতের বাবা সমীর দে।

উল্লেখ্য, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ (খুন) ও ২০১ (সাক্ষ্যপ্রমাণ লোপ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত অনিন্দিতা পাল নিজেও আইনজীবী। বুধবার সাজা ঘোষণা করার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী এদিন তাঁকে যাবজ্জীবন সাজা দিল আদালত। অনিন্দিতা রায় শুনে এজলাসে কান্নাকাটি জুড়ে দিয়ে দাবি করে, তার স্বামী আত্মহত্যাই করেছেন। শিশু সন্তানকে ফেলে আর জেলে যেতে চায় না বলেও রীতিমতো ধস্তাধস্তি করে সে।

বার বার বয়ান বদলে তদন্তে বিভ্রান্তি তৈরি থেকে সাক্ষ্যপ্রমাণ লোপের চেষ্টা–গোড়া থেকেই নানা ভাবে নিজেকে আড়াল করতে চেয়েছিল অনিন্দিতা। এমনকী পুলিশি তদন্তে প্রাথমিক কিছু খামতি, গাফিলতির কথা রায় ঘোষণার সময়ে বিচারকও বলেছিলেন। কিন্তু সে-সব খামতি পূরণ করে অনিন্দিতার হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা, ফেসবুক পোস্ট এবং গুগলে সার্চই অকাট্য প্রমাণ হয়ে উঠেছে। সে দিক থেকে ইলেকট্রনিক এভিডেন্সের ভিত্তিতে খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রেও এই মামলাটি নজির হয়ে থাকবে। যেমন দু’বছরের কম সময়ে বিচার শেষও আর এক নজির।

২০১৮-র ২৫ নভেম্বর নিউ টাউনের ডিবি ব্লকে নিজেদের ফ্ল্যাটের ঘর থেকে রজতের (৩৪) দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে। রজতের বাবাই পুলিশে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন, পুত্রবধূই এই মৃত্যুর জন্য দায়ী। ১ ডিসেম্বর অনিন্দিতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। লাগাতার পুলিশি জেরায় একাধিক বার বয়ান পাল্টায় সে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর অবশ্য নিশ্চিত হয়ে যায়, রজতকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। মোবাইল চার্জারের তার গলায় পেঁচিয়ে রজতের শ্বাসরোধ করা হয়। তবে কে খুনি, সে নিয়ে কিছু ধন্দ ছিল। অনিন্দিতার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টই সব সংশয়ের নিরসন করে। খুনের ধারাতেই চার্জশিট দেয় পুলিশ। মাস দশেকের মাথায় অভিযুক্ত সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পায়–ছোট বাচ্চা রয়েছে, এই মানবিক কারণে। কিন্তু শেষমেশ দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এবার যাবজ্জীবন সাজাও পেলেন তিনি।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here