Latest: বীরভূমে বিস্ফোরণ কান্ডের তদন্তে এনআইএ – Kolkata24x7

Latest: বীরভূমে বিস্ফোরণ কান্ডের তদন্তে এনআইএ – Kolkata24x7

প্রতীকি ছবি

বীরভূম: ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বীরভূমের লোকপুর থানা এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ তারপর ২০২০ সালে তদন্তভার হাতে নেয় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি(এনআইএ)৷ সূত্রের খবর, এক ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক সহ চার সদস্যের এনআইএ-র দলটি বুধবার থেকে একের পর বিস্ফোরণস্থল ঘুরছে জেলা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়েই।

প্রতিনিধি দলটি গত বুধবার জেলায় পঞ্চায়েতের গাংপুর গ্রামে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে সদাইপুর থানার রেঙ্গুনি গ্রামে তল্লাশিতে যায় এনআইএ। এনআইএ-র তদন্তকারী অফিসাররা বিস্ফোরণস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন৷ পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন৷

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর হঠাৎই বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গাংপুর। গ্রামবাসীরা দেখেন স্থানীয় বাবলু মণ্ডলের বাড়ির টিনের চাল উড়ে গিয়েছে। পুলিশের অনুমান বাড়ির চিলে কোঠায় বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল। বোমা বিস্ফোরণের পরই গাঢাকা দেয় মূল অভিযুক্ত৷ কিন্তু সেদিন রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করে তার দুই ছেলে মৃত্যুঞ্জয় ও নিরঞ্জন মণ্ডলকে।

জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং বলেন, “দু’টি পুরানো মামলায় এনআইএ-র একটি দল জেলায় এসেছে। জেলা পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করেই তারা একাধিক জায়গায় তদন্ত চালাচ্ছে।” বীরভূমে অবশ্য বিস্ফোরণের ঘটনা নতুন নয়৷

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে একটি পৃথক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বীরভূমের ইলামবাজারে৷ বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে একটি বাড়ির ছাদ উড়ে যায়। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। রীতিমত স্থানীয় মানুষজন ছোটাছুটি শুরু করেন। স্থানীয় মানুষজনই বীরভূম পুলিশ-প্রশাসনকে বিস্ফোরণের খবর দেন৷

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসেছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ এছাড়া তার আগের বছর বীরভূমের মহম্মদবাজারে পাথরখাদানে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। মজুত বিস্ফোরক সরাতে গিয়ে বিস্ফোরণ বলে জানা গিয়েছিল।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধা, মুক্তিযুদ্ধে মহিলাদের লড়াইয়ের কথা বারবার তুলে ধরেছেন। মুখোমুখি ‘দশভূজা’ শামীম আখতার I

Source link

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here