Latest: বিতর্কিত মার্কিন নির্বাচনে ভোট গুনতে বাংলাদেশের সাহায্য চাইল যুক্তরাষ্ট্র

Latest: বিতর্কিত মার্কিন নির্বাচনে ভোট গুনতে বাংলাদেশের সাহায্য চাইল যুক্তরাষ্ট্র


মার্কিন মুলুকে এখন চলছে হই হই কাণ্ড, রই রই ব্যাপার। দেশটির দু-একটি অঙ্গরাজ্যে ভোট পুনর্গণনার কথা শোনা যাচ্ছে। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে যে ভোট গুনতে বাংলাদেশের সাহায্য চাইতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

বিভিন্ন অনিশ্চিত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে নীতিবিরুদ্ধ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার শুধু বাস্তবায়নের পালা—তা হোক বাস্তবে বা কল্পনায়।

ঘটনার সূত্রপাত অতি সম্প্রতি। শুধু একটি বক্তব্য প্রকাশের পরপরই তা হোয়াইট হাউসের পিলার নাড়িয়ে দিয়েছে। সেখানকার ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নাকি সেই কাঁপাকাঁপিকে অগ্রাহ্য করেই পুরো বক্তব্য বারবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে শুনেছেন, শুনতে শুনতে শিহরিত হয়েছেন এবং একপর্যায়ে ‘ইউরেকা’ বলে চেঁচিয়ে ওঠেন।

যুক্তরাষ্ট্র ৪ থেকে ৫ দিনে ভোট গুনতে পারে না। আমরা ৪ থেকে ৫ মিনিটে গুনে ফেলি। যুক্তরাষ্ট্রের আমাদের কাছে শেখার আছে বললেন কে এম নূরুল হুদা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাংলাদেশ (সিইসি)।

বাংলাদেশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মুখে এমন বক্তব্য শোনার পরপরই টনকসহ সবকিছুই নড়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির নাম প্রকাশে অত্যন্ত ইচ্ছুক এবং একেবারে প্রকাশ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট গোনা নিয়ে ব্যাপক জটিলতা হচ্ছে। এই অবস্থায় তারা বেশ ঝামেলায় আছে। যদিও রাশিয়া এ ব্যাপারে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এ নিয়ে পরে বিতর্ক হবে ভেবে আর এগোনোর সাহস পাওয়া যায়নি। অবশ্য বাংলাদেশ থেকে এমন বক্তব্য আসার পর আর অপেক্ষা করা সমীচীন হবে বলে মনে করছে না দেশটি। এ ব্যাপারে মতান্তরে একই স্থানে কোচিং করা ডোনাল্ড ট্রাম্পও সহাস্যে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিকল্পনার কথা শোনার পর থেকেই নাকি খোশমেজাজে আছেন ট্রাম্প। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের গলফ কোর্সের মাঠে গিয়ে গগনবিদারী আওয়াজ তুলে বলেছেন, ‘খেলা হবে।’

অন্যদিকে এই পুরো প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জো বাইডেন শিবির। কমলা হ্যারিস নাকি শুরু থেকেই শঙ্কিত এবং ভয়ার্ত কণ্ঠে ‘না’ ছাড়া আর কোনো শব্দ উচ্চারণ করছেন না। তবে জো বাইডেন পুরোপুরি চুপ মেরে গেছেন এবং একটি ঘরে ঢুকে গান শোনা শুরু করেছেন। ঘরের বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বাংলায় পারদর্শী এক মার্কিন একটি কলিই শুনতে পেরেছেন। তা হলো, ‘…এই জ্বালা আর প্রাণে সয় না…’। কান পেতে থাকা ওই ব্যক্তি বলেছেন, এই এক কলিই নাকি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে শুনছেন বাইডেন।

তবে ভোট গণনার আদর্শ সময় নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে মত-দ্বিমত আছে। বেশির ভাগই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। মন্তব্যের বদলে চোখ টিপে কানে কানে বলেছেন, ‘এসব বললে চাকরি থাকবে না।’

Follow and like us:
0
20

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here