তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত। অন্যদিকে কুশিয়ারা নদী থেকে শুষ্ক মৌসুমে উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১৫৩ কিউসেক করে পানি প্রত্যাহারের জন্য ২০২২ সালে একটি সমঝোতা হয়। একইভাবে ২০১৯ সালে ভারতের ত্রিপুরার সাবরুম শহরের পানীয় জলের জন্য ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি MoU স্বাক্ষরিত হয়।

তাহলে তিস্তা কেন আলাদা? এই ভিডিওতে আমরা তিস্তা, কুশিয়ারা ও ফেনী নদীকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত পানি কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলনা করেছি। বিশেষভাবে দেখা হয়েছে তিস্তা চুক্তির দীর্ঘ অমীমাংসিত অবস্থার পেছনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিকা, কুশিয়ারা ও ফেনী নিয়ে সম্পাদিত সমঝোতা এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও জীবিকার সঙ্গে তিস্তার সম্পর্ক।

তিস্তা চুক্তি নিয়ে ২০১১ সাল থেকেই আলোচনা চলেছে এবং ভারতীয় সরকারি নথিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবস্থান ও কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

Ads Space