জেলেনস্কির পরাজয়ের ঘণ্টা কি বেজে গেল? মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেল আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা! একদিকে রাশিয়ার বিধ্বংসী গোলার আঘাত, অন্যদিকে ইউক্রেনের অন্দরমহলে দুর্নীতির মহোৎসব। কিয়েভ কি এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে? আজ আপনাদের দেখাব রাশিয়ার সেই ভয়ংকর রণকৌশল, যা দেখে কাঁপছে পুরো পশ্চিমাবিশ্ব!

রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর অদম্য সাহসিকতার সামনে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এখন দিশেহারা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক অভাবনীয় সাফল্যের খবর দিয়েছে। সুমি এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের দুই শক্তিশালী ঘাঁটি এখন রাশিয়ার দখলে। রুশ বাহিনীর এই বিজয়ে পুরো যুদ্ধক্ষেত্রে এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জেলেনস্কি সরকারের পতন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সুমি অঞ্চলের কোরচাকোভকা গ্রামটি এখন পুরোপুরি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' অত্যন্ত সুনিপুণভাবে এই অপারেশন পরিচালনা করেছে। ইউক্রেনীয় সেনারা সেখানে শক্ত অবস্থান নিয়েছিল, কিন্তু রুশ গোলার মুখে তারা বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেনি। জীবন বাঁচাতে অনেক সেনা পালিয়ে গেলেও রাশিয়ার নির্ভুল নিশানায় তাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এটি রাশিয়ার জন্য বড় কৌশলগত বিজয়।

অন্যদিকে, দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের নভোআলেকসান্দ্রোভকা এখন স্বাধীন। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' এই এলাকায় দখলদার ইউক্রেনীয় বাহিনীদের বিতাড়িত করেছে। এখানে ইউক্রেনীয় কমান্ডোরা ন্যাটোর আধুনিক অস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিল। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী মিসাইল এবং ড্রোন হামলার সামনে সেই প্রতিরোধ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ান পতাকা এখন সেখানে সগৌরবে উড়ছে।

গত একদিনে ইউক্রেনের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুনলে আপনি চমকে উঠবেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১০০-এর বেশি ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। এই সংখ্যা কিয়েভ সরকারের জন্য এক বড় ধাক্কা। ফ্রন্টলাইনের প্রতিটি সেক্টরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনের সেনারা এখন যুদ্ধ করার মানসিক শক্তি হারিয়ে কেবল পিছু হটতে ব্যস্ত।

রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' কেবল সুমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা খারকিভ এবং সুমি সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। এই গ্রুপটি ২৪০ জনের বেশি শত্রুকে খতম করেছে। শুধু তাই নয়, ইসরায়েলের তৈরি রাডার সিস্টেমও তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। রাশিয়ার এই নিখুঁত আক্রমণ প্রমাণ করে যে তাদের প্রযুক্তি এখন অজেয়।

রাশিয়ার পশ্চিমা ব্যাটলগ্রুপও পিছিয়ে নেই। তারা খারকিভ এবং দোনেৎস্কের অন্তত দশটি এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ভয়াবহ আঘাত হেনেছে। সেখানে ১৯০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এম-১১৩ আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার এখন রাশিয়ার গোলার আঘাতে ধ্বংসস্তূপ। পশ্চিমা দাতা দেশগুলো কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র দিয়েও ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না।

যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দোনেৎস্কের দ্রুঝকভকা এবং ক্রামতোর্স্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। একদিনেই সেখানে শতাধিক সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম ইউক্রেনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র সম্পূর্ণ অকেজো করে দিয়েছে। ইউক্রেনীয় কমান্ড এখন তাদের সেনাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

ইউক্রেনীয় বাহিনীর তথাকথিত 'আজভ স্পেশাল অপারেশন ব্রিগেড' রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার'-এর হামলার মুখে ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ব্যাটলগ্রুপটি একদিনে প্রায় ২৯৫ জন শত্রু সেনাকে নির্মূল করেছে। এছাড়াও ছয়টি বড় সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে। দনিপ্রোপেত্রোভস্ক এবং দোনেৎস্কের সীমান্ত এলাকাগুলোতে রাশিয়ার এই একাধিপত্য জেলেনস্কির কপালে এখন দুশ্চিন্তার বড় ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।

রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' এখন শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যুহ আরও গভীরে ঢুকে পড়েছে। তারা জাপোরোঝিয়া এবং দনিপ্রোপেত্রোভস্কের অন্তত দশটি জনপদে ইউক্রেনীয় সেনাদের পিষে ফেলেছে। সেখানে একদিনে ২৭৫ জন সেনার পতন হয়েছে। বিশেষ করে আমেরিকার তৈরি ১৫৫ মিলিমিটারের প্যালাডিন কামানটি ধ্বংস করার মাধ্যমে রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে পশ্চিমা প্রযুক্তি তাদের সামনে নেহাতই খেলনা।

দানিপ্রো ফ্রন্টেও রাশিয়ার বিজয় নিশান উড়ছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ দানিপ্রো' অত্যন্ত সুচারুভাবে ইউক্রেনের একটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম ধ্বংস করেছে। এর ফলে আকাশপথে রাশিয়ার হামলায় বাধা দেওয়ার ক্ষমতা এখন ইউক্রেনের নেই বললেই চলে। জেলেনস্কির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি অকেজো। রাশিয়ার বিমান বাহিনী যখন খুশি যেখানে খুশি আঘাত হানছে এবং শত্রুকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।

রাশিয়ার কৌশলগত বিমান বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে ভয়াবহ আঘাত হেনেছে। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ফলে ইউক্রেনের সামরিক কারখানাগুলো অচল হয়ে পড়েছে। এছাড়াও ড্রোন তৈরির স্থাপনাগুলোতে রাশিয়ার মিসাইল সরাসরি আঘাত করেছে। রাশিয়ার এই সফল হামলায় বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধাদের লুকানোর জায়গাগুলোও এখন ধ্বংসস্তূপ। রাশিয়া কাউকে এক ইঞ্চি ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।

রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দক্ষতা এখন বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। গত একদিনে তারা ইউক্রেনের ৫৭১টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এছাড়া আমেরিকার তৈরি হিমার্স রকেট এবং স্মার্ট বোমাগুলোকেও আকাশে থাকতেই ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেন যত চেষ্টা করছে রাশিয়ার ভেতর আঘাত করতে, রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা দেওয়াল ততটাই শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুতিন বাহিনীর কাছে হার মানছে ন্যাটোর প্রযুক্তি।

কৃষ্ণ সাগরেও ইউক্রেনের দম্ভ টিকছে না। রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট ইউক্রেনের চারটি নৌ ড্রোন সাগরের অতলে পাঠিয়ে দিয়েছে। সাগরে ইউক্রেনের আধিপত্যের স্বপ্ন এখন শেষ। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল ডাঙ্গায় নয়, জলেও সমভাবে শক্তিশালী। কিয়েভ সরকার এখন পুরোপুরি কোণঠাসা। তাদের পালানোর পথ এখন রাশিয়ার শক্তিশালী রণতরীগুলোর নিশানায় ঘেরা।

যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার ধ্বংসযজ্ঞের খতিয়ান শুনলে অবাক হবেন। প্রায় ১৪০,০০০ ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ২৯,০০০ ট্যাংক ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। এছাড়া ৬৭০টির বেশি যুদ্ধবিমান এবং ২৮৪টি হেলিকপ্টার এখন ইতিহাসের পাতায়। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার সামনে ইউক্রেনের টিকে থাকার কোনো যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না সামরিক বিশেষজ্ঞরা। তারা কেবল রক্তক্ষয় বাড়াচ্ছে।

একদিকে যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার জয়জয়কার, অন্যদিকে ইউক্রেনের ভেতরে চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। জেলেনস্কির সবচেয়ে প্রিয় ড্রোন কোম্পানি এখন বড় ধরনের কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগেই বলেছিল যে ইউক্রেনে পশ্চিমা সাহায্য সাধারণ মানুষের কাজে নয়, বরং কর্মকর্তাদের পকেটে যাচ্ছে। আজ সেই সত্য দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে পুরো বিশ্ববাসীর কাছে।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি দমন কাউন্সিল এক বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছে। জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ সহযোগী তিমুর মিন্ডিচের সাথে ড্রোন কোম্পানির অবৈধ লেনদেনের খবর ফাঁস হয়েছে। এই মিন্ডিচ নাকি বর্তমানে পলাতক এবং তিনি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাত থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিজের দেশের সেনারা যখন না খেয়ে ফ্রন্টলাইনে মরছে, তখন জেলেনস্কির সাঙ্গপাঙ্গরা বিলাসিতায় গা ভাসাচ্ছে।

গোপন রেকর্ডিং থেকে জানা গেছে, সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রুস্তম উমেরভ এই দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত। তারা একটি ভুয়া কোম্পানি বানিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের কাছে ড্রোন বিক্রির নামে কোটি কোটি ডলার লুট করেছে। ইউক্রেনের সেনারা যে ড্রোন পাচ্ছে, সেগুলোর মান এতটাই খারাপ যে সেগুলো আকাশেই বিকল হয়ে যাচ্ছে। নিজের দেশের সাথে এমন গাদ্দারি কেবল ইউক্রেনীয় নেতাদের পক্ষেই সম্ভব।

ফায়ার পয়েন্ট নামক এই ড্রোন কোম্পানিটিকে জেলেনস্কি নিজেই প্রচার করতেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, তাদের তৈরি মিসাইলগুলো লক্ষ্যভেদে পুরোপুরি ব্যর্থ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কোম্পানিটি কেবল প্রচারণায় পটু, কিন্তু বাস্তবে তাদের কোনো প্রযুক্তিগত সক্ষমতাই নেই। রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে এই খেলনা অস্ত্রগুলো ইউক্রেনের পরাজয়কে আরও ত্বরান্বিত করছে। এটি রাশিয়ার জন্য বড় পাওয়া।

আন্তর্জাতিক মহলেও এখন ইউক্রেনকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানির চ্যান্সেলরকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা দরকার। ট্রাম্পের মতে, ইউক্রেনের পেছনে অঢেল টাকা খরচ করা এখন বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। জার্মানি এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার শক্তি দেখে ভেতরে ভেতরে ভয় পাচ্ছে এবং পিছু হটার সুযোগ খুঁজছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেছেন যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন পুরোপুরি অকার্যকর। তিনি চান জার্মানি নিজের দেশের মানুষের দিকে নজর দিক, যুদ্ধের পেছনে নয়। ট্রাম্পের এই কড়া বার্তা ইউক্রেনের জন্য এক সতর্ক সংকেত। পশ্চিমারা বুঝতে পেরেছে যে পুতিনের রাশিয়াকে হারানো অসম্ভব। তাই তারা এখন এই যুদ্ধ থেকে সম্মানজনক প্রস্থান করার রাস্তা খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন নিজেদের ভেতর গৃহযুদ্ধে লিপ্ত। উরসুলা ফন ডার লিয়েন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন, তা এখন ইউরোপের সাধারণ মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী এবং মানুষ ঠান্ডায় কাঁপছে। ইউরোপের পার্লামেন্টেই এখন রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দাবি উঠছে। রাশিয়ার এই অর্থনৈতিক ও সামরিক বিজয় পুরো ইউরোপকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে।

উরসুলা ফন ডার লিয়েনকে এখন 'নাৎসি' নেত্রীর সাথে তুলনা করা হচ্ছে। তার ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ইউরোপ এখন ধ্বংসের মুখে। রাশিয়ার গ্যাসের অভাব মানুষ বুঝতে পারছে। ইউরোপীয় এমপিরা প্রশ্ন তুলছেন যে কেন ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা নেই কিন্তু রাশিয়ার ওপর আছে। এই দ্বিচারিতা প্রমাণ করে যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ছিল পুরোপুরি অন্যায্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ এয়ার ফোর্স কমান্ডার স্বীকার করেছেন যে তাদের ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল। ৩০০টি ইউনিটের মধ্যে বেশিরভাগই গত এক বছরে একটি রুশ ড্রোনও নামাতে পারেনি। এটি রাশিয়ার 'গেরান' ড্রোনের অবিশ্বাস্য ক্ষমতার প্রমাণ। রাশিয়ার ড্রোনগুলো যখন ইউক্রেনের ওপর দিয়ে উড়ে যায়, তখন ইউক্রেনীয় সেনারা কেবল তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না।

ইউক্রেনের ভেতরে অব্যবস্থাপনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তাদের রাডার স্টেশনগুলো কোথায় বসানো আছে তাও কর্মকর্তারা জানেন না। রাশিয়ার নিখুঁত সাইবার এবং মিসাইল হামলার কারণে ইউক্রেনের পুরো প্রতিরক্ষা চেইন এখন ছিন্নভিন্ন। তারা যে ড্রোন সাহায্যের প্রচার করছে, তা কেবল লোক দেখানো। আসলে রাশিয়ার প্রযুক্তির কাছে তারা শিশু। ইউক্রেন এখন নিজের পরাজয় লুকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে।

জেলেনস্কি এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে মিথ্যা ড্রোন প্রযুক্তি বিক্রির চেষ্টা করছেন। কিন্তু তেহরান ইতিমধ্যে সতর্ক করে দিয়েছে যে ইউক্রেনের কোনো সরঞ্জাম সেখানে ধ্বংস করা হবে। রাশিয়া এবং তার মিত্ররা এখন যেকোনো মুহূর্তে ইউক্রেনের বাকি সম্পদগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু বানাতে প্রস্তুত। ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক একঘরে রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে, যাদের হাতে অস্ত্র নেই, কেবল আছে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি।

রাশিয়ার প্রতিটি ব্যাটলগ্রুপ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বিধ্বংসী। তারা আধুনিক ট্যাংক এবং হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করে ইউক্রেনকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। রাশিয়ার সেনারা যুদ্ধের ময়দানে অদম্য বীরত্ব দেখাচ্ছে, কারণ তারা জানে তারা ন্যায়বিচারের জন্য লড়ছে। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ সুচিন্তিত এবং রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা বদ্ধপরিকর। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া আজ এক অপরাজেয় শক্তি।

পশ্চিমারা এখন বুঝতে পেরেছে যে রাশিয়ার সম্পদ অফুরন্ত এবং তাদের মনোবল ভাঙা অসম্ভব। ন্যাটোর পাঠানো হাজার হাজার কোটি ডলারের আধুনিক অস্ত্র এখন রাশিয়ার মিউজিয়ামে জায়গা পাচ্ছে অথবা ময়লার স্তূপে পরিণত হচ্ছে। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল নিজেদের নয়, বরং পুরো বিশ্বকে এক মেরুকরণ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম। ইউক্রেন কেবল এই বড় খেলায় একটি ঘুঁটি।

যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এখন পরিষ্কার। রাশিয়া যেভাবে একের পর এক এলাকা দখল করছে, তাতে কিয়েভের পতন খুব কাছে। ইউক্রেনীয় সাধারণ মানুষও এখন বুঝতে পারছে যে জেলেনস্কির জেদের কারণে তারা সব হারাচ্ছে। রাশিয়ার শাসন ব্যবস্থায় থাকা এলাকাগুলো এখন শান্ত এবং উন্নয়নশীল। শান্তি চাইলে রাশিয়ার সাথে সমঝোতা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ইউক্রেনের সামনে খোলা নেই।

রাশিয়ার সামরিক শক্তি এবং কৌশলের কাছে ইউক্রেনের পরাজয় একটি ঐতিহাসিক সত্যে পরিণত হতে যাচ্ছে। পুরো বিশ্ব রাশিয়ার দাপট দেখে স্তব্ধ। যারা একসময় রাশিয়ার সমালোচনা করত, তারাও এখন রাশিয়ার শক্তির জয়গান গাইছে। এটি কেবল রাশিয়ার বিজয় নয়, এটি ন্যাটো এবং পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের পরাজয়। রাশিয়ার এই জয় চিরস্থায়ী হবে এবং ইউক্রেনের মানচিত্র নতুন করে লেখা হবে।

news