যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই রাত হয়—কিন্তু এখন রাত হচ্ছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের জন্য! ইরানকে ছোঁয়ার সাহস দেখাবে কে? যখন খোদ ড্রাগন তার পিঠের ওপর হাত রেখেছে! চীনের এমন কিছু গোপন এবং বিধ্বংসী অস্ত্র যা মুহূর্তেই ইসরায়েল আর আমেরিকার দম্ভকে মাটির সাথে মিশিয়ে ধুলোয় উড়িয়ে দিতে পারে। আজকের ভিডিওতে দেখুন, কেন পেন্টাগন এখন ভয়ে থরথর করে কাঁপছে!

কথায় আছে, "অন্যায়ের দম্ভ চিরকাল টিকে থাকে না, ন্যায়ের ঝড়ে তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।" আজ বিশ্ব রাজনীতিতে ঠিক সেই দৃশ্যই আমরা দেখতে পাচ্ছি। বছরের পর বছর ধরে আমেরিকা এবং ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে যে অশান্তি আর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তার সমাপ্তি ঘটাতে এখন ময়দানে নেমেছে এশিয়ার মহাশক্তি চীন। ইরান আজ আর একা নয়।

বর্তমান বিশ্বে সামরিক শক্তির ভারসাম্য খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এক সময়ের অনুসারী চীন আজ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বিশ্বনেতার আসনে আসীন। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে চীনের উদ্ভাবিত এমন কিছু ‘সুপার উইপন’ বা মহাশক্তিধর অস্ত্র রয়েছে, যার সামনে বিশ্বের তথাকথিত শক্তিশালী দেশগুলোর সেনাবাহিনীও তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। চীনের এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে, ড্রাগন এখন রণক্ষেত্রে পুরোপুরি অজেয়।

চীনের ভাণ্ডারে থাকা প্রথম দানবটি হলো ডিএফ-সেভেন্টিন হাইপারসনিক মিসাইল। এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর হাইপারসনিক ব্যালেস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত। এর বিশেষত্ব হলো এটি শব্দের চেয়ে অন্তত ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে। এর প্রচণ্ড গতির কারণে পৃথিবীর কোনো রাডার বা মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম একে শনাক্ত বা ধ্বংস করতে সক্ষম নয়, যা মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অকেজো করে দেয়।

আকাশপথে আধিপত্য বিস্তারে চীনের পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ ফাইটার জেট জে-২০ মাইটি ড্রাগন এক অনন্য সৃষ্টি। এটি রাডারের চোখে ধুলো দিয়ে শত্রুপক্ষের সীমানায় ঢুকে নিখুঁতভাবে হামলা চালাতে পারে। এর উন্নত সেন্সর এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এটিকে আকাশযুদ্ধের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী সেনাপতিতে পরিণত করেছে। আমেরিকা বা ইসরায়েলের যেকোনো আধুনিক বিমানও এই ড্রাগনের সামনে দাঁড়ানোর ক্ষমতা রাখে না, এটি আজ এক প্রমাণিত সত্য।

সমুদ্রজয়ে চীনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো টাইপ জিরো ফিফটি ফাইভ গাইডেড মিসাইল ডেসট্রয়ার। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং আধুনিক যুদ্ধজাহাজ। ১১২টি ভার্টিক্যাল লঞ্চিং সেল সমৃদ্ধ এই জাহাজটি একসাথে বিমান ধ্বংসকারী, জাহাজ বিধ্বংসী এবং ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে। সাগরের বুকে চীনের আধিপত্য বজায় রাখতে এটি একাই একটি নৌবাহিনীর সমান শক্তি রাখে এবং পশ্চিমী রণতরীগুলোর জন্য যমদূত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চীনের কৌশলগত শক্তির মেরুদণ্ড হলো ডিএফ-ফোরটি ওয়ান ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল। এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি, যা প্রায় ১৫,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য হলো, একটি মাত্র মিসাইল ১০টি আলাদা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। এর মানে হলো, আমেরিকার যেকোনো বড় শহর বা সামরিক ঘাঁটি মুহূর্তের মধ্যে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে চীন।

ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য চীন গড়ে তুলেছে বিশাল ড্রোনের বহর এবং রোবোটিক সৈন্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত এই ড্রোনগুলো ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ করতে পারে, যা কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে ঠেকানো সম্ভব নয়। এছাড়া চীনের তৈরি রোবোটিক ডগ বা যান্ত্রিক কুকুর এবং চালকবিহীন সাবমেরিন সম্মুখ সমরে মানুষের ঝুঁকি কমিয়ে চীনের সামরিক সক্ষমতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রযুক্তি ইসরায়েলি বাহিনীকে স্তব্ধ করে দিতে যথেষ্ট।

ইরানের ওপর যেকোনো হামলা মানেই চীনের সাথে সরাসরি যুদ্ধ। আর চীনের এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং সামরিক সরঞ্জামগুলো কেবল প্রদর্শনী নয়, বরং বিশ্বের বুকে চীনের একক আধিপত্যের প্রতীক। চীনের বিশাল বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তির নিখুঁত সংমিশ্রণ তাদের সেনাবাহিনীকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যেখানে তাদের পরাজিত করা অসম্ভব। আজ চীন কেবল একটি দেশ নয়, রণক্ষেত্রে এক অপরাজেয় বৈশ্বিক মহাশক্তি।

আমেরিকা এবং ইসরায়েল এতদিন ভেবেছিল তারা যা খুশি তাই করবে, কিন্তু ড্রাগনের এই হুঙ্কার তাদের সব হিসাব বদলে দিয়েছে। পশ্চিমী দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা আর হুমকির দিন শেষ। এখন সময় চীনের প্রযুক্তি আর ইরানের সাহসের মেলবন্ধন। যারা এতকাল পৃথিবীকে অশান্ত করে রেখেছে, চীনের এই সমরাস্ত্র তাদের যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইতিহাস সাক্ষী দিচ্ছে, সত্যের জয় আর অহংকারের পতন অনিবার্য।

আপনি কি মনে করেন চীনের এই সমরাস্ত্রগুলো কি সত্যিই আমেরিকার দম্ভ চূর্ণ করতে পারবে? কমেন্টে আপনার মতামত জানান আর ভিডিওটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন।

news