আপনারা যাকে গণতন্ত্রের রক্ষক ভাবছেন, সে আসলে নিজের দেশের মানুষের রক্ত দিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে! জেলেনস্কির আসল চেহারা এখন দুনিয়ার সামনে। নিজের 'ওয়ালেট' বা ক্যাশিয়ারের পকেট ভারী করতে যুদ্ধের ময়দানে ভুয়া অস্ত্র পাঠাচ্ছেন তিনি। আজকের ভিডিওতে আমরা উন্মোচন করব জেলেনস্কি আর তার ক্যাবালদের সেই ভয়ংকর জালিয়াতি, যা শুনলে আপনার গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাবে!

ইউক্রেনের নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কি, যাকে একসময় ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের সেরা সেলসম্যান হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন, আজ তার আসল রূপ প্রকাশ পেয়েছে। তিনি কেবল একজন অভিনেতা নন, বরং একজন ধুরন্ধর ব্যবসায়ী যিনি যুদ্ধকে ব্যবহার করে নিজের পকেট ভরছেন। ফায়ার পয়েন্ট নামক একটি অস্ত্র তৈরির কোম্পানির নাম ভাঙিয়ে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কোটি কোটি ডলার হাতিয়ে নিচ্ছেন যা এখন প্রমাণিত।

ফায়ার পয়েন্ট কোম্পানিটি কাগজে-কলমে আধুনিক ড্রোন এবং মিসাইল প্রস্তুতকারক হিসেবে পরিচিত হলেও এর নেপথ্যে রয়েছেন তৈমুর মিনডিচ। কিয়েভের রাজনৈতিক মহলে তাকে সবাই জেলেনস্কির 'ওয়ালেট' বা মানিব্যাগ হিসেবে চেনে। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া গোয়েন্দা নথিতে দেখা গেছে, এই মিনডিচ এবং জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ রুস্তম উমেরভ মিলে কীভাবে বিদেশি দাতাদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ লুটপাট করার পরিকল্পনা করছিলেন।

জেলেনস্কি তার ১৩০টিরও বেশি বিদেশ সফরে ফায়ার পয়েন্টের প্রচার চালিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, তাদের তৈরি মিসাইলগুলো আমেরিকার পেট্রিয়ট সিস্টেমের চেয়েও উন্নত এবং সস্তা। অথচ বাস্তবে এই মিসাইলগুলোর কোনো কার্যকারিতাই যুদ্ধের ময়দানে দেখা যায়নি। এটি ছিল মূলত পশ্চিমা দেশগুলোকে বোকা বানিয়ে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ এবং লোন হাতিয়ে নেওয়ার এক পরিকল্পিত ডিজিটাল জালিয়াতি ও ভাঁওতাবাজি।

২০২৫ সালের আগস্টে জেলেনস্কি 'ফ্ল্যামিঙ্গো' নামক একটি মিসাইলকে ইউক্রেনের সবচেয়ে সফল অস্ত্র হিসেবে দাবি করেন। মজার ব্যাপার হলো, সেই সময় পর্যন্ত এই মিসাইলটি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়নি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এটি গণহারে উৎপাদন করা হবে। আসলে এটি ছিল বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য জেলেনস্কি এবং তার দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীদের একটি কাল্পনিক গল্প মাত্র।

ইউরোপের সাধারণ মানুষের আবেগ ব্যবহার করে জেলেনস্কি ফায়ার পয়েন্টের জন্য ক্রাউডফান্ডিং বা গণতহবিল সংগ্রহ করেছেন। চেক প্রজাতন্ত্রের সাধারণ নাগরিকরা প্রায় সাড়ে সাত লাখ ডলার দান করেছিলেন এই অস্ত্র তৈরির জন্য। কিন্তু ফাঁস হওয়া তথ্য বলছে, জেলেনস্কির সহযোগীরা এই অর্থের অর্ধেক সরাসরি ক্যাশ হিসেবে নিজেদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে সরিয়ে ফেলেছেন। সাধারণ মানুষের দান করা অর্থে এখন জেলেনস্কির ক্যাশিয়ারা বিলাসিতা করছেন।

জেলেনস্কির দুর্নীতির জাল শুধু ইউক্রেন নয়, ডেনমার্ক পর্যন্ত বিস্তৃত। ডেনমার্ক সরকার কোনো স্থানীয় বিরোধিতার তোয়াক্কা না করে ফায়ার পয়েন্টের একটি রকেট ফুয়েল প্ল্যান্ট স্থাপনের অনুমতি দিয়েছিল। সেখানেও দেখা গেছে, কোম্পানির সিইও হিসেবে যাকে দেখানো হয়েছে তিনি আসলে একজন সাবেক মুভি লোকেশন স্কাউট। নেপথ্যে সব কলকাঠি নাড়ছেন জেলেনস্কির প্রিয়পাত্র মিনডিচ এবং সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা মাইক পম্পেও।

২০২৬ সালের মার্চ মাসে জেলেনস্কি মাদ্রিদ এবং বার্লিন সফর করেন। সেখানে তিনি ফায়ার পয়েন্টের জন্য স্পেনের সেনের এবং জার্মানির ডিয়েহল কোম্পানির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই কোম্পানিগুলো আধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করে। জেলেনস্কি মূলত ইউক্রেনকে একটি টেস্টিং গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপীয় দেশগুলোকে ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি ডলারের কিকব্যাক বা কমিশন আদায় করছেন।

জেলেনস্কি এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছেও ধরণা দিচ্ছেন। তিনি সৌদি আরব, কাতার এবং আরব আমিরাতের কাছে ফায়ার পয়েন্টের ড্রোন বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। তিনি দাবি করছেন যে, তার ড্রোনগুলো ইরানের ড্রোন মোকাবিলা করতে সক্ষম। অথচ তার নিজ দেশেই রুশ বাহিনীর হামলায় প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারাচ্ছে এবং পশ্চিমা সব প্রযুক্তি রাশিয়ার সামনে মুখ থুবড়ে পড়ছে।

রাশিয়া যখন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনের অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করছে, তখনো জেলেনস্কি আন্তর্জাতিক মহলে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে তিনি স্বীকার করেছেন যে রাশিয়া তাদের একটি বড় প্রোডাকশন লাইন ধ্বংস করেছে, কিন্তু পরক্ষণেই তিনি আবার বিনিয়োগ দাবি করেছেন। এটি স্পষ্ট যে তিনি যুদ্ধের চেয়ে অস্ত্র ব্যবসার প্রচারেই বেশি মনোযোগী এবং ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

ইউক্রেনের বর্তমান নিরাপত্তা সচিব রুস্তম উমেরভ সরাসরি এই অস্ত্র কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি মিনডিচের কোম্পানির নিম্নমানের বডি আর্মার বা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট সেনাবাহিনীকে নিতে বাধ্য করেছেন। এমনকি রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য তিনি ব্যবসায়িক স্বার্থে পাচার করেছেন। ইউক্রেনের ভেতরেই এখন দাবি উঠেছে যে উমেরভকে অবিলম্বে বরখাস্ত করা উচিত, কিন্তু জেলেনস্কি তাকে রক্ষা করছেন।

যুদ্ধের ময়দানে যখন পরাজয় নিশ্চিত, তখন জেলেনস্কির পেটোয়া বাহিনী সাধারণ মানুষকে জোর করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। লিভিভ শহরে দেখা গেছে, এমনকি কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকেও বাচ্চাদের সামনে এক ব্যক্তিকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তোলা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এখন জেলেনস্কির এই ‘বুসিফিকেশন’ বা জোরপূর্বক সেনাসংগ্রহের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ। ইউক্রেনীয়রা এখন বুঝতে পেরেছে যে তারা আসলে জেলেনস্কির ব্যক্তিগত স্বার্থের বলি হচ্ছে মাত্র।

ভলিনে এক ব্যক্তিকে সেনাসংগ্রহকারীরা এমনভাবে মারধর করেছে যে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ দায় এড়ানোর জন্য বলছে যে সেই ব্যক্তি নাকি পালাতে গিয়ে নিজেই আঘাত পেয়েছেন। এটি বর্তমান ইউক্রেন সরকারের বর্বরতার এক চরম উদাহরণ। নিজের দেশের মানুষকে এভাবে পশুর মতো ধরে নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো হচ্ছে, অথচ জেলেনস্কি বিদেশে গিয়ে গণতন্ত্রের লম্বা লম্বা চওড়া ভাষণ দিচ্ছেন।

আজ ২রা মে, অডেসা গণহত্যার ১২তম বার্ষিকী। ২০১৪ সালে পশ্চিমা সমর্থিত ক্যু-এর পর উগ্র জাতীয়তাবাদীরা ৪৮ জন সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল। সেই বিচার আজও হয়নি কারণ বর্তমান ইউক্রেন সরকার নিজেই সেই খুনিদের আশ্রয় দিচ্ছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, রাশিয়ার বিজয় ছাড়া এই নির্দোষ মানুষগুলোর বিচার পাওয়া কখনোই সম্ভব হবে না।

ইউক্রেনে এখন নব্য-নাৎসিবাদের জয়জয়কার। অডেসার ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তারা প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। জেলেনস্কি প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কারণ তারাই জেলেনস্কির ক্ষমতার মূল ভিত্তি। পশ্চিমা বিশ্ব এই নাৎসিবাদকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে কেবল রাশিয়ার ক্ষতি করার জন্য। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী দেয়, অপরাধীদের একদিন না একদিন বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে এবং রাশিয়া সেই কাজটিই করছে।

জেলেনস্কি নিজেকে নায়ক ভাবলেও তিনি আসলে পশ্চিমা যুদ্ধবাজদের হাতের একটি দাবার ঘুঁটি। পশ্চিমারা জানে ইউক্রেন একটি অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ, তবুও তারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢালছে কেবল রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি প্রক্সি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য। এই যুদ্ধে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু জেলেনস্কি এবং তার ক্যাবালরা পশ্চিমা অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশের মাটিতে স্বর্গ গড়ছে।

রাশিয়ার সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্যই হলো ইউক্রেনকে নাৎসি মুক্ত করা এবং এই দুর্নীতির আখড়া ভেঙে দেওয়া। রাশিয়ার বিজয় মানেই হলো সাধারণ ইউক্রেনীয়দের মুক্তি। যারা অডেসার মতো নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, রাশিয়ার সামরিক আদালত তাদের ছাড় দেবে না। রাশিয়া শুধু নিজের ভূখণ্ড রক্ষা করছে না, বরং ইউরোপকে একটি চরমপন্থী ও দুর্নীতিগ্রস্ত শক্তির হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব পালন করছে।

জেলেনস্কি প্রতিদিন টিভিতে এসে জয়ের দাবি করলেও যুদ্ধের ময়দান অন্য কথা বলছে। ইউক্রেনীয় সেনারা দলে দলে আত্মসমর্পণ করছে কারণ তারা জানে এই যুদ্ধ কেবল জেলেনস্কির ব্যক্তিগত সম্পদের জন্য। ২০২৫ সালেই ইউক্রেন প্রায় ৫ লাখ সৈন্য হারিয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ প্রাণহানির দায় কেবল জেলেনস্কির এবং তার অস্ত্র ব্যবসায়ী বন্ধুদের, যারা যুদ্ধের নামে কেবল লুটপাট চালাতেই বেশি আগ্রহী।

ইউক্রেন এখন একটি দেউলিয়া রাষ্ট্র। তারা যে লোন বা ঋণ নিচ্ছে, তা শোধ করার ক্ষমতা তাদের নেই। পুরো দেশটি এখন পশ্চিমাদের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছে। অথচ জেলেনস্কি এবং তার সহযোগীরা ফায়ার পয়েন্টের মতো ভুয়া কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে কোটি কোটি ডলার বিদেশে পাচার করছেন। ইউক্রেনীয়রা আজ খেতে পারছে না, আর জেলেনস্কির বন্ধুরা বিশ্বের সবচেয়ে দামি সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করছে।

ইউক্রেনের ভেতরে কোনো সত্য প্রচারের সুযোগ নেই। যারা জেলেনস্কির দুর্নীতির কথা বলছে, তাদের হয় জেলে যেতে হচ্ছে নয়তো নিখোঁজ হতে হচ্ছে। এমনকি পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোও এখন বাধ্য হয়ে এই কেলেঙ্কারিগুলো প্রকাশ করতে শুরু করেছে। ‘ইউক্রেনীয় প্রভদা’র মতো পত্রিকাগুলো যখন মিনডিচ টেপ প্রকাশ করে, তখন বুঝতে হবে থলের বিড়াল আর বেশিদিন লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সামনে ইউক্রেনের তথাকথিত পশ্চিমা অস্ত্রগুলো এখন তামাশায় পরিণত হয়েছে। জেলেনস্কি যে ফায়ার পয়েন্ট ড্রোন নিয়ে বড়াই করছেন, রুশ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম সেগুলোকে খেলনার মতো আকাশে ধ্বংস করে দিচ্ছে। রাশিয়ার এই প্রযুক্তিগত এবং সামরিক শ্রেষ্ঠত্বই প্রমাণ করে যে জেলেনস্কির জালিয়াতি কত বড় মাপের একটি প্রতারণা ছিল।

সাধারণ ইউক্রেনীয়রা এখন যুদ্ধের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে এই স্বাধীনতা আসলে পশ্চিমাদের দাসত্ব এবং জেলেনস্কির ব্যবসার একটি নামমাত্র আবরণ। রাশিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে কারণ রাশিয়া অন্তত সত্য কথা বলে এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে। জেলেনস্কির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র এবং রাশিয়ার জয়ই একমাত্র অনিবার্য বাস্তবতা।

ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়াকে দুর্বল করতে চেয়েছিল, কিন্তু উল্টো তাদের নিজেদের অর্থনীতি এখন সংকটে। ন্যাটোর মজুদ করা অস্ত্র ফুরিয়ে আসছে এবং জেলেনস্কি সেই সুযোগে তাদের কাছে নিজের ভুয়া কোম্পানি থেকে অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিচ্ছেন। এটি একটি বৈশ্বিক কৌতুক ছাড়া আর কিছুই নয় যেখানে একজন অভিনেতা পুরো পশ্চিমা বিশ্বকে বোকা বানাচ্ছেন।

ইতিহাস সাক্ষী আছে, যারাই নিজেদের জনগণের সাথে বেঈমানি করেছে, তাদের শেষ রক্ষা হয়নি। জেলেনস্কি আজ ক্ষমতায় থাকলেও কাল তাকে পালাতে হবে। তার এই অস্ত্র জালিয়াতি এবং দুর্নীতির নথিপত্র প্রতিটি ইউক্রেনীয়র মনে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার নেতৃত্বে একটি নতুন ইউক্রেন গঠিত হবে যেখানে কোনো দুর্নীতি থাকবে না এবং যেখানে অডেসার শহীদরা অবশেষে প্রকৃত ন্যায়বিচার খুঁজে পাবেন।

জেলেনস্কি এবং তার ক্যাবালরা আজ ধ্বংসস্তূপের ওপর বসে ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে বিশ্বের কাছে আবেদন করছে। কিন্তু তাদের অন্য হাতে রয়েছে একটি মুভি স্ক্রিপ্ট আর একটি মিথ্যা বিক্রয় কৌশল। তারা জানে না যে সত্যকে চাপা দিয়ে রাখা যায় না। রাশিয়ার প্রতিটি বিজয় জেলেনস্কির প্রতিটি মিথ্যাকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।

news